শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

জামালপুরে মির্জা আজমসহ আ.লীগ নেতাদের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০২৪
  • ৮২ টাইম ভিউ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও সেনাপ্রধানের ভাষণ শুনেই জামালপুরে বিক্ষুদ্ধ সাধারণ মানুষ রাস্তায় বিজয়োল্লাস করছেন। শত শত লোকজন মির্জা আজমসহ জেলার শীর্ষস্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর, হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

সোমবার (৫ আগস্ট) থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত এসব ঘটনা চলছে। দেখা গেছে, সেনাপ্রধানের ভাষণের শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জামালপুর শহরের প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় শত শত বিক্ষুদ্ধ সাধারণ মানুষ নেমে আসেন। সবাই মিছিল দিয়ে বিজয়োল্লাস করতে থাকে। মিছিল থেকে বিক্ষুদ্ধ লোকজন প্রথমে শহরের বকুলতলা এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেন।

ওই কার্যালয়ের পাশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মির্জা আজমের বাড়ির গেট ভেঙে বিক্ষুদ্ধ লোকজন ব্যাপক ভাঙচুর ও সকল আসবাবপত্র নিয়ে যায়। পরে বাড়িতে লোকজন আগুন ধরিয়ে দেন। এছাড়াও তার গ্রামের বাড়ি মাদারগঞ্জ উপজেলার বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট হয়। শহরের বকুলতলা এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগের অফিস ও সহসভাপতি সোহরাব হোসেন ওরফে বাবুলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।

সন্ধ্যার দিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেনের ব্যক্তিগত অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পাটগুদামে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এরপর একে একে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ, সহসভাপতি ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী, সৈয়দ আতিকুর রহমান ও আমান উল্লাহ ওরফে আকাশের বাড়িতে ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর