শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাইবার ঝুঁকিতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট! দাম্মামের সব ফ্লাইট তিন দিন বন্ধ, রিয়াদ রুটে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত দক্ষিণ আফ্রিকায় চাঁদা না দেওয়ায় শরীয়তপুরের প্রবাসীকে গুলি করে হত্যা সৌদি আরবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, আরামকো ও বিমানবন্দরে হামলার দাবি হুথিদের সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি সাজেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ : আইএসপিআর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকালে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় রাখার সিদ্ধান্ত এসএসসিতে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বোর্ডের বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ এইচএসসির ফল প্রকাশ হতে পারে ২৯ অক্টোবর ডেঙ্গুতে এক দিনে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫১২

মুক্তি পেলেন সু চি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৯৭ টাইম ভিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে জান্তা প্রশাসন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই কারাগারে বন্দি ছিলেন তিনি। শুধু সু চিকেই নয়, মোটমাট সাত হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে দেশটির সামরিক সরকার। মঙ্গলবার (১ আগস্ট) মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর জানানো হয়েছে।

সম্প্রচারে বলা হয়েছে, আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত অং সান সু চিকে ক্ষমা করেছেন রাষ্ট্রীয় প্রশাসন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সু চির পাশাপাশি মিয়ানমারের সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টও দুই বছরেরও বেশি সময় পর ছাড়া পেয়েছেন।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সে সময় সু চিসহ বেসামরিক সরকারের বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর সু চির বিরুদ্ধে অন্তত ১৯টি অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিচার শুরু করে জান্তা সরকার।

তবে সামরিক আদালতে মামলার শুনানির সময় গণমাধ্যমকর্মী বা অন্য পর্যবেক্ষকদের কেউ উপস্থিত থাকতে পারেননি। ফলে মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো সু চির বিরুদ্ধে গোপন বিচারকে প্রতারণা বলে নিন্দা জানায়।

এরপরও দফায় দফায় রায় ঘোষণায় মোট ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত এ নেতাকে।

সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে গৃহবন্দি থাকলেও অং সান সু চিকে গত বছর রাজধানীর একটি নির্জন কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। গত দুই বছর তার প্রায় কোনো খবরই পাওয়া যায়নি। তিনি অসুস্থ ছিলেন বলে গুঞ্জন শোনা গেলেও সামরিক বাহিনী এ তথ্য অস্বীকার করে।

মিয়ানমারে সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২০ সালের নভেম্বরে। সেবার বিপুল ভোটে জয় পায় অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। তবে, তিন মাস পরেই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সু চিকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। জান্তার পক্ষ থেকে এনএলডির বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আনা হয়।

সম্প্রতি নিবন্ধন না থাকার অভিযোগে সু চির দলকে রাজনৈতিক দলের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে জান্তা নিয়ন্ত্রিত দেশটির নির্বাচন কমিশন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর