শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাইবার ঝুঁকিতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট! দাম্মামের সব ফ্লাইট তিন দিন বন্ধ, রিয়াদ রুটে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত দক্ষিণ আফ্রিকায় চাঁদা না দেওয়ায় শরীয়তপুরের প্রবাসীকে গুলি করে হত্যা সৌদি আরবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, আরামকো ও বিমানবন্দরে হামলার দাবি হুথিদের সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি সাজেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ : আইএসপিআর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকালে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় রাখার সিদ্ধান্ত এসএসসিতে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বোর্ডের বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ এইচএসসির ফল প্রকাশ হতে পারে ২৯ অক্টোবর ডেঙ্গুতে এক দিনে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫১২

গণহত্যার স্বীকৃতি চাইলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০২৩
  • ২৭২ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিচালিত ‘অপারেশন সার্চলাইট’কে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।

শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এই স্ট্যাটাস দেন তিনি।

পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জয় লেখেন, ‘১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক শাসনের কবল থেকে মুক্তি চেয়েছিল বাঙালি জাতি, তাদের স্বপ্ন ছিল নিজেদের মতো সুন্দর জীবন যাপন করা। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকরা ঝাঁপিয়ে পড়ে ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ২৫ মার্চের কালরাতে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ইয়াহিয়া খান আর বিশ্বস্ত কসাই টিক্কা খানকে দায়িত্ব দেন বাঙালি জাতিকে নিধন করার। তারা এর নাম দেয় ‘অপারেশন সার্চলাইট’। এই এক রাতেই তারা শুধু ঢাকা শহরে ৭ হাজারের ওপর মানুষকে মেরে ফেলে। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে বাংলাদেশের ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়, আর পাকিস্তানি ঘাতকদের কাছে সম্ভ্রম হারান ২ লাখেরও বেশি মা-বোন। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষ তখন হারিয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধের ওই ৯ মাসেই। ভারতে শরণার্থী হয় প্রায় ১ কোটি মানুষ। অথচ আজ পর্যন্ত এই গণহত্যাকে স্বীকৃতি দিতে নারাজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, কারণ তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাদে সব পরাশক্তিই ছিল পাকিস্তানি হত্যাকারীদের পক্ষে।’

সজীব ওয়াজেদ জয় লেখেন, ‘তাই আজ আমরা দাবি জানাই, পাকিস্তানি ঘাতকদের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য আত্মত্যাগকারী সব মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা মায়ের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।’

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর