শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

কুমিল্লা সদর উপজেলার কালির বাজারে কৃষকের করলা গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

মুহাম্মদ রকিবুল হাসান:
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১২৪ টাইম ভিউ

কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার কালির বাজার ইউনিয়নের মস্তাপুর কাসার গ্রামের মৃত আলী আশরাফ এর ছেলে কৃষক আক্তার মিয়ার জমিতে ঢুকে রাতে আধারে করলা গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা। বুধবার সন্ধায় এঘটনা ঘটে। কৃষক আক্তার মিয়া জানান, কুমিল্লা  ক্যান্টনমেন্ট এর পার্শ্ববর্তী এলাকা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কালির বাজার ইউনিয়নের মস্তাপুর কাসার এলাকায় গত ৬ মাস আগে ৩ একর ৩০ শতক জমি লিজ নিয়ে চাষাবাদ শুরু করেন তিনি,  এখানে  তিনি কলা, পেঁপে, লেবু, তরমুজ, করলা, পুইশাক, মিষ্টি কুমড়া সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফল এবং শাকসবজি গাছের চাষাবাদ করে আসছেন।

ফলনও শুরু হয়েছে বেশ ভালোই, এরই মধ্যে বেচাকেনা ও শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি। তার এই উদ্ভাবনী কাজে গ্রামের অনেকেই তাকে হিংসার চোখে দেখছেন, আবার কেউ কেউ বাহবাও দিচ্ছেন।

এদিকে বুধবার রাতে কৃষক আক্তার মিয়া জমিতে গিয়ে দেখতে পান, বেশ অনেকগুলো করলা গাছ কে বা কারা কেটে রেখেছে। পরে তিনি বৃহস্পতিবার সকালে এসব গাছ গুলো নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নালিশ করেন। সেই সাথে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ও তিনি এই গাছ গুলো নিয়ে বিচার দাবি করেন।

কৃষক আক্তার হোসেনের স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, এই জমিজমা গুলো চাষাবাদ করে আমরা সংসার চালাচ্ছি, একটা ছেলে বিদেশে পাঠিয়েছি, একটা মেয়ে বিয়ে দিয়েছি, আরেকটা মেয়ে পড়াশোনা করছে। যারা আমাদের এই ক্ষতি করেছে তারা যেন কঠোর শাস্তি পায়।

এসময় ওই গ্রামের খোরশেদ আলম, বাচ্চু মিয়া, মো. লিটন, সাইফুল ইসলাম নামের আরও কয়েকজন কৃষকও এমন নিকৃষ্ট কাজের বিচার দাবি করেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ফারুক হোসন জানান, ঘটনাটি আমরা জানতে পেরেছি, লিখিত  অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর