শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

রাখাইনে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাবটি কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা জামায়াতের : জান্তা সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩ মে, ২০২৫
  • ১৬৮ টাইম ভিউ

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাধীন রাজ্য গঠনের জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার। জান্তা সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ ধরনের প্রস্তাবে জামায়াত মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে।থাইল্যান্ডভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ইরাবতীর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। চীন এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের জানান,

প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে অমানবিক পরিবেশে জীবন কাটাচ্ছে এবং মানবিক ত্রাণ এ সংকটের সমাধান নয়।

তাহের বলেন, ‘এ জন্য আমরা আরাকান অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে একটি স্বাধীন আরাকান স্টেট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছি। চীন এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, কারণ মিয়ানমারের সাথে তাদের সুদৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে। তারা আমাদের এই প্রস্তাব নিজেদের সরকারের কাছে তুলে ধরবে এবং প্রাসঙ্গিক উদ্যোগ গ্রহণের চেষ্টা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।’মিয়ানমারের জান্তা সরকার বলছে, এ ধরনের প্রস্তাব দেশটির সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করে।

রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ শরণার্থী হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের ফেরত প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মিয়ানমার তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে। মিয়ানমার জান্তা সাধারণত রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবেই অভিহিত করে থাকে।

বিবৃতিতে বলা হয়, মুসলিম শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে কুনমিংয়ে বাংলাদেশি এবং জান্তা উপ–পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে কথা হয়েছে। প্রত্যাবাসন শুরুর আগে শরণার্থীদের পরিচয় নিশ্চিত ও নিবন্ধন এবং ফিরে আসাদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসন তৈরির নীতি নেওয়া হয়েছে। জান্তা সরকারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মিয়ানমারের সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করে জামায়াতের এই প্রস্তাব পুরো প্রক্রিয়াকে নষ্ট করে রাজনৈতিক সুবিধা গ্রহণের হীন প্রয়াস।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর