শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীর পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

আস্তর্জাতিক ডেক্স
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৯ টাইম ভিউ
হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীর পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

রোববার (৮ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গোপন সূত্র মারফত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ খবর পায়, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনসহ একাধিক গুরুতর অপরাধ করার পর দুইজন বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে এবং বর্তমানে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছে, যাতে সুযোগ পেলে পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারে।

এ তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ একটি অভিযান পরিচালনা করে এবং দুইজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে। তারা হলেন-রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), বাড়ি পটুয়াখালী, বাংলাদেশ এবং আলমগীর হোসেন (৩৪), বাড়ি ঢাকা, বাংলাদেশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ওই বিবৃতে বলা হয়, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ, আলমগীর হোসেন ওসমান হাদিকে খুন করে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর থেকে তারা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে ছিল। সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা সম্প্রতি বনগাঁ এলাকায় আসে।

শনিবার (৭ মার্চ) রাতে বনগাঁ এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে এসটিএফ থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাদের উপযুক্ত আদালতে পেশ করা হয়েছে। আসামিদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চলছে।

পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পুলিশ সূত্র ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বনগাঁয় গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর তাদের গ্রেপ্তার হয়। গতকাল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেবল সেটা স্বীকার করেছে।

দেশের তদন্তকারী সংস্থার একাধিক কর্মকর্তাও বলছেন, এই দুজন আগেই গ্রেপ্তার বা আটক ছিল বলে তাদের কাছে তথ্য ছিলো।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর