শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪০ টাইম ভিউ
ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানিকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইল। মঙ্গলবার ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ জানান, সোমবার রাতে পরিচালিত এক বিমান হামলায় ইরানের এই শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এর আগে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আলী লারিজানিকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল। তবে এই চাঞ্চল্যকর দাবির প্রেক্ষিতে ইরান এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেনি।আলী লারিজানি গত কয়েক দশক ধরে ইরানের শাসনব্যবস্থায় অন্যতম প্রভাবশালী ও বাস্তববাদী হিসেবে পরিচিত মুখ ছিলেন। তিনি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমাদের সাথে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

১৯৫৮ সালে ইরাকের নাজাফে জন্ম নেওয়া লারিজানি ইরানের বিখ্যাত আমোলি পরিবারের সন্তান, যাকে অনেকে ইরানের কেনেডি পরিবার হিসেবে অভিহিত করেন। তার বাবা মির্জা হাসেম আমোলি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ধর্মীয় পণ্ডিত। লারিজানির ভাইয়েরাও ইরানের বিচার বিভাগ ও অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন।

পেশাগত জীবনে লারিজানি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর আইআরজিসিতে যোগ দেন। পরবর্তীকালে তিনি সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রী এবং রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার নির্বাচিত হন এবং টানা দীর্ঘ সময় এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালে বিশ্বশক্তির সাথে ইরানের পারমাণবিক চুক্তি অনুমোদনে তার বিশেষ ভূমিকা ছিল। ২০২৫ সালের আগস্টে তিনি পুনরায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব পদে ফিরে আসেন এবং যুদ্ধকালীন রণকৌশল নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।

ইসরাইলের এই দাবি যদি সত্য হয়, তবে তা ইরানের বর্তমান সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য একটি বড় বিপর্যয় হিসেবে গণ্য হবে। বিশেষ করে শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর লারিজানিই ছিলেন ইরানের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের একজন। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এই হত্যাকাণ্ড নতুন করে সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর