বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংবিধানে শিক্ষা ও চিকিৎসার অধিকার নিশ্চিতের আলোচনা আগামী বছর গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৫ কর্মকর্তার রদবদল শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান গার্মেন্টস মালিকদের বরগুনায় যৌন নিপীড়ন থেকে বাচতে চলন্ত অটো থেকে লাফ দিল দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বছরে ১৫৪ কোটি ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন শ্রমিকদের আন্দোলনে ফ্যাসিস্টরা ঢুকলে দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বদ্ধের প্রতিশ্রুতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট শুরু

আগামীকাল শুরু বৃত্তি পরীক্ষা, শেষ মুহূর্তের ১০ পরামর্শ

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩১ টাইম ভিউ
আগামীকাল শুরু বৃত্তি পরীক্ষা, শেষ মুহূর্তের ১০ পরামর্শ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামীকাল, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তা কমাতে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াতে শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা ১০টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।

১. প্রয়োজনীয় উপকরণ গুছিয়ে রাখা: আজ বিকেলেই প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড), কলম, পেনসিল ও জ্যামিতি বক্স একটি স্বচ্ছ ফাইলে গুছিয়ে রাখতে হবে।

কাল সকালে যেন কোনো তাড়াহুড়ো না হয়

২. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম: শেষ রাতে পড়াশোনা না করে আজ দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্ককে সচল রাখে, যা পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর মনে করতে সাহায্য করে।

৩. কেন্দ্রে পৌঁছানো: যানজট বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পরীক্ষার অন্তত ৩০-৪০ মিনিট আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখতে হবে।

৪. ওএমআর (OMR) শিট পূরণে সতর্কতা: রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বৃত্ত ভরাট করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কোনো ভুল হলে ঘাবড়ে না গিয়ে দায়িত্বরত শিক্ষককে জানাতে হবে।

৫. প্রশ্নপত্র পড়া: হাতে প্রশ্ন পাওয়ার পর ৫ মিনিট সময় নিয়ে পুরোটা পড়ে নিতে হবে। কোন প্রশ্নগুলো আগে উত্তর দেওয়া যাবে তা মনে মনে ছক করে নিলে সময় বাঁচে।

৬. সহজ প্রশ্নের উত্তর আগে দেওয়া: যেসব প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানা আছে, সেগুলো আগে লিখতে হবে। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং পরে কঠিন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

৭. সময়ের সঠিক ব্যবহার: কোনো একটি কঠিন প্রশ্নে বেশি সময় নষ্ট করা যাবে না। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রেখে উত্তর করতে হবে।৮. পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: উত্তরপত্রে কাটাকাটি বা ঘষামাজা করা এড়িয়ে চলতে হবে।

হাতের লেখা স্পষ্ট ও পরিচ্ছন্ন থাকলে পরীক্ষকের ইতিবাচক নজরে আসা সহজ হয়।

৯. কোনো প্রশ্ন ছেড়ে না আসা: প্রতিটি বিষয়ে অন্তত ৪০ শতাংশ নম্বর পাওয়া পাস করার জন্য জরুরি। তাই কোনো প্রশ্ন পুরোপুরি ছেড়ে না এসে প্রাসঙ্গিক কিছু লিখে আসার চেষ্টা করতে হবে।

১০. রিভিশন দেওয়া: পরীক্ষা শেষ হওয়ার অন্তত ১০ মিনিট আগে লেখা শেষ করে পুরো খাতাটি একবার মিলিয়ে নিতে হবে। বিশেষ করে ছোটখাটো ভুল বা রোল নম্বর ঠিক আছে কি না তা পুনরায় পরীক্ষা করতে হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর