শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

হরমুজ প্রণালীতে সাবমেরিন কেবলের উপর ফি আরোপের পরিকল্পনা ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ১০৩ টাইম ভিউ
হরমুজ প্রণালীতে সাবমেরিন কেবলের উপর ফি আরোপের পরিকল্পনা ইরানের

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালির নিচে থাকা সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবলকে ঘিরে নতুন পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। এই কেবলগুলো ইউরোপ–এশিয়ার মধ্যে বিপুল পরিমাণ ইন্টারনেট ও আর্থিক তথ্য আদান-প্রদানের প্রধান মাধ্যম।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান এসব কেবল ব্যবহারের ওপর ফি আরোপ এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করছে। বিষয়টি সামনে আসায় আন্তর্জাতিকভাবে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ সূত্র ও বিভিন্ন প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ইরান চাইছে বড় প্রযুক্তি কোম্পানি—যেমন গুগল, মাইক্রোসফট, মেটা ও অ্যামাজন—কে তাদের আইন মেনে চলতে এবং কেবল ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স ফি দিতে বাধ্য করতে।

ইরানের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি এক্সে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, “আমরা ইন্টারনেট কেবলের ওপর ফি আরোপ করব।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের অধিকাংশ আন্তর্জাতিক ডেটা সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। এসব অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা বাধাগ্রস্ত হলে ব্যাংকিং, ক্লাউড সেবা, সামরিক যোগাযোগ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

তবে টেলিযোগাযোগ বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে যাওয়া কেবলগুলো বৈশ্বিক ইন্টারনেট ট্রাফিকের তুলনামূলক ছোট অংশ বহন করে। তাই বৈশ্বিক প্রভাব সীমিত হলেও আঞ্চলিক পর্যায়ে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

আইনি দিকেও বিষয়টি জটিল। ইরান দাবি করছে, সমুদ্র আইন অনুযায়ী তারা নিজেদের জলসীমার ভেতর দিয়ে যাওয়া কেবলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, হরমুজ প্রণালিকে শুধু জ্বালানি নয়, ডিজিটাল অর্থনীতির কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করেই ইরান ভূরাজনৈতিক চাপ তৈরির চেষ্টা করছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর