বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুটবলার ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজক্ষমার পর সম্পূর্ণ মুক্তি পেলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন দেশে বৈধ মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: সংসদে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বিশ্বশান্তি ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ : প্রধানমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক, মির্জা ফখরুল ও জামায়াত-কেউ ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে : জামায়াত আমির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় সীমিত সম্পদে সবার সুখ-দুঃখ বিবেচনায় নিয়ে বাজেট প্রণয়ন-অর্থমন্ত্রী একনেকে দুই হাজার ২৬৬ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন ৪৭ কোটি টাকায় সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে সরকার, বিশ্বকাপ দেখাবে বড় পর্দায়

রাজক্ষমার পর সম্পূর্ণ মুক্তি পেলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ৫ টাইম ভিউ
রাজক্ষমার পর সম্পূর্ণ মুক্তি পেলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন

রাজক্ষমা পাওয়ার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়েছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা। মঙ্গলবার দেশটির কারা বিভাগ সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক মুক্তির তথ্য নিশ্চিত করেছে।দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে এক বছরের কারাদণ্ডের মাঝে আট মাস সাজা খাটার পর বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত মাসে প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন ৭৬ বছর বয়সী থাকসিন। দেশটির কারা বিভাগ বলেছে, শর্তসাপেক্ষ মুক্তির অংশ হিসেবে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর পায়ে একটি ইলেকট্রনিক মনিটরিং ডিভাইস (ইএমডি) পরা বাধ্যতামূলক ছিল।

টেলিকম খাতের এই বিলিয়নেয়ারের কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বছরের কম বাকি থাকায় গত ৩ জুন রানি সুথিদার জন্মদিন উপলক্ষে রাজক্ষমা পাওয়া যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। মঙ্গলবার থাইল্যান্ডের কারা বিভাগ বলেছে, থাকসিনের পা থেকে ইলেকট্রনিক মনিটরিং ডিভাইসটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, কারাগার কর্তৃপক্ষ থাকসিনের কাছে আনুষ্ঠানিক মুক্তির নথিপত্র এবং খালাসের প্রশংসাপত্র হস্তান্তর করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, থাকসিন আর কোনও ফৌজদারি শাস্তি, নজরদারি বা এই সংক্রান্ত কোনও শর্তের অধীনে নেই। একই সঙ্গে প্যারোলে মুক্তি পাওয়া অন্যান্য যোগ্য ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

থাইল্যান্ডে রাজা ও রানির জন্মদিনসহ প্রধান প্রধান রাজকীয় উৎসব উপলক্ষে নিয়মিতভাবে ভালো আচরণ করা বন্দিদের রাজক্ষমা মঞ্জুর করা হয়। আধুনিক থাই রাজনীতিতে থাকসিন অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং তিনি দুই মেয়াদে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০০৬ সালের এক সামরিক অভ্যুত্থানে তার দ্বিতীয় মেয়াদের অবসান ঘটে। এরপর এক দশকেরও বেশি সময় তিনি স্বেচ্ছানির্বাসন কাটান; যার সিংহভাগ সময় ছিলেন দুবাইতে। পরে ২০২৩ সালে থাইল্যান্ডে ফিরে আসেন তিনি। থাই গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসেই থাকসিন সিনাওয়াত্রা দুবাই সফরে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এই সফরের কোনও কারণ প্রকাশ করা হয়নি।

এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলে থাকসিনের একজন আইনি প্রতিনিধি তাৎক্ষণিকভাবে কোনও সাড়া দেননি বলে জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

একবিংশ শতাব্দীতে থাইল্যান্ডের সবচেয়ে সফল রাজনৈতিক দলগুলোর অন্যতম থাকসিনের ‘ফেউ থাই পার্টি’ এবং এর পূর্বসূরি কয়েকটি দল। সিনাওয়াত্রা পরিবার থেকে এ পর্যন্ত চারজন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন এবং গ্রামীণ ভোটারদের মধ্যে এই পরিবারের দীর্ঘদিনের শক্তিশালী সমর্থন রয়েছে। তবে গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ফেউ থাই পার্টি ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ফলাফল রেকর্ড করে তৃতীয় স্থানে নেমে যায়; যা থাকসিনের রাজনৈতিক প্রভাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

সূত্র: এএফপি

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর