শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে উপহার পেল অনুশ্রী, স্বপ্ন পূরণ হলো নিরাপত্তাকর্মী রাকিবেরও র‌্যাব বিলুপ্ত করে আসছে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নদীদূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুদণ্ড বাদ না দেওয়ায় প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য দেয়নি জাতিসংঘ: ট্রাইব্যুনালকে প্রসিকিউটর সবুজবাগে শপিং ব্যাগে মিলল তরুণীর খণ্ডিত মাথা ও দুই হাত বিটিভির নতুন মহাপরিচালক কাজী জেসিন শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার এই সুযোগ কেন দিলো- প্রশ্ন বিএনপির ফ্যামিলি কার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১৬ আগস্ট, পাবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার ৩৪৯ জন, তালিকা প্রকাশ

কোনো ঠিকাদারকে এখনো কাজ দেওয়া হয়নি : জবি প্রশাসন

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯ টাইম ভিউ
কোনো ঠিকাদারকে এখনো কাজ দেওয়া হয়নি : জবি প্রশাসন
ছবি-সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) স্থায়ী আবাসিক ভবন নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, দরপত্র আহ্বান থেকে শুরু করে মূল্যায়নের পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে ই-জিপি (ব-এচ) পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া হয়নি।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থায়ী আবাসিক ভবন নির্মাণের জন্য সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সরকারি আর্থিক বিধি অনুযায়ী এই অর্থ অন্য কোনো খাতে ব্যয়ের সুযোগ নেই। তবে এ অর্থে কাঙ্ক্ষিত মানের ভবন নির্মাণ সম্ভব না হওয়ায় প্রশাসন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে অতিরিক্ত ৮ কোটি টাকা বরাদ্দের আবেদন করেছে।

টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসন জানায়, দরপত্র সম্পূর্ণভাবে ই-জিপি পদ্ধতিতে আহ্বান করা হয়েছে, যেখানে যোগ্য যে কোনো প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। ইতোমধ্যে ১২টি দরপত্র জমা পড়েছে এবং সেগুলোর মূল্যায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রশাসন আরও জানায়, এখন পর্যন্ত কোনো ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া হয়নি। পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে একটি মূল্যায়ন কমিটির মাধ্যমে দরপত্র প্রক্রিয়া যাচাই করা হবে। এ ক্ষেত্রে দুর্নীতি বা অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভাষ্য, টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি বা ভিত্তিহীন অভিযোগ না ছড়িয়ে মূল্যায়ন কার্যক্রম শেষ হওয়ার অপেক্ষা করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর