আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের অনেক দেশেই রমজানের চাঁদ উঠেছে। তারাবি নামাজ আদায় করেছেন বিভিন্ন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। কিন্তু পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের তারাবি নামাজ আদায় করতে দেয়নি ইসরায়েল। তাদের নামাজের অধিকারও কেড়ে নিয়েছে ইসরায়েলের পুলিশ বাহিনী। সোমবার (১১ মার্চ) তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ। পবিত্র রমজানের প্রথম তারাবি নামাজ আদায়ের জন্য আসা কয়েকশ ফিলিস্তিনিকে মসজিদে প্রবেশ করতে বাধা এবং তাদের অনেককে মারধর করে ইসরায়েলি পুলিশ।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তারাবি নামাজ পরতে আসা অনেক ফিলিস্তিনি নোবেল স্যাঙ্কচুয়ারি বা হারাম আল-শরিফের গেটে জড়ো হয়েছিলেন। এ সময় মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশে বাধা দেয় ইসরায়েলি পুলিশ। এমনকি তাদের মারধরও করে। পরবর্তীতে মসজিদে ঢুকতে না পেরে বাইরেই নামাজ আদায় করেন অনেক মুসল্লি।
এদিকে মুসল্লিদের আল-আকসা মসজিদে নামাজ পড়তে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
গত কয়েক মাস ধরেই আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনী অভিযান চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তুলকারেম, বালাতা ক্যাম্প, নাবলুসের পূর্বাঞ্চলে অভিযান চালানো হয়েছে।
ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ওপর পড়ছে বোমা। তাদের কাছে নেই কোনো খাবার। এমনকি নেই পান করার বিশুদ্ধ পানিও। এর মধ্যেই রমজানের রোজা পালন করতে শুরু করেছেন দেশটির নাগরিকরা। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশুদ্ধ পানির অভাবে মারা যাচ্ছে শিশুরা। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল গাজায় হামলা শুরু করার পর থেকে ৩০ হাজারের বেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।