শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

ওসির উপস্থিতিতে ফিরোজের হাতে গুলি করেন পুলিশ সদস্য

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪
  • ৮৯ টাইম ভিউ

পুলিশি পাহাড়ায় অসহনীয় যন্ত্রণায় পঙ্গু হাসপাতালের বিছানায় ছটফট করছেন ঢাকা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ফিরোজ শিকদার। তার দিকে তাকিয়ে আছে অনেকগুলো কৌতূহলি চোখ।

ফিরোজের পরিবার বলছে ,পুলিশের গুলিতে ডান হাত হারাতে হয়েছে তাকে। তার জীবনে নেমে এসেছে কালো ছায়া।

হাত হারিয়েও পুলিশের মামলায় আসামি হতে হয়েছে তাকে।
জানা যায়, গত ৭ জুন ঝিনাইদহের শৈলকুপায় মুস্তাক শিকদার নামের এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে সহিংসতার মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারের পর বিকেল ৩টার দিকে শত শত মানুষ তার মুক্তির দাবিতে শৈলকুপা থানার সামনে জড়ো হন।

আহত ওই যুবকের ভাই মহসিন শিকদার বলেন, ‘মুস্তাককে গ্রেপ্তারের সময় ফিরোজও অনেকের সঙ্গে থানার সামনে উপস্থিত ছিল।

এ সময় থানার গেট থেকে পুলিশ ফিরোজ শিকদারকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর ওসি শফিকুল ইসলাম চৌধুরীর উপস্থিতিতে তার ডান হাতে গুলি করেন এক পুলিশ সদস্য। এ ঘটনার পরপরই থানা গেটে জড়ো হওয়া লোকজন উত্তেজিত হয়ে থানা ঘেরাও করেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও বলেন, এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইদহ পরে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপ্যাডিক হাসপাতালে (পঙ্গু হাসপাতাল) পাঠানো হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা কোনোভাবেই ফিরোজের ডান হাতটি টিকিয়ে রাখতে পারেননি। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার হাতটি কেটে ফেলা হয়েছে।’

বিষয়টি নিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন)- ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি ও মানবাধিকার কর্মী আমিনুর রহমান টুকু বলেন, ‘পুলিশের কাজ মানুষের নিরাপত্তা প্রদান করা।

যদি পুলিশ অন্যায় ভাবে কলেজছাত্র ফিরোজের ওপর হামলা করে থাকে সেক্ষেত্রে তার পরিবার আইনের সহায়তা নেওয়ার সুযোগ পাবে। তাছাড়া ঘটনাটি ওই কলেজছাত্র পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করতে পারেন।’
ফিরোজের হাতে গুলি করার বিষয়টি অস্বীকার করে শৈলকুপা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘যখন হামলা হয় তখন আমি খাচ্ছিলাম। ঘটনাস্থলে ছিলাম না। শেষ মুহুর্তে ঘটনাস্থলে এসেছি। যারা থানায় হামলা করেছে, তাদের কাউকে পুলিশ থানায় ঢুকতে দেয়নি। হামলাকারীরা বাইরে থেকে ইট মেরে আমাদের আহত করেছে। তাদের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর