শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

খামেনির দাফনে জনসমুদ্র, কফিনের আরবি লেখার অর্থ কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৬০ টাইম ভিউ
খামেনির দাফনে জনসমুদ্র, কফিনের আরবি লেখার অর্থ কী

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজধানী তেহরানে ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে। গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় লাখো মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন। বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি সামাল দিতে অনুষ্ঠানস্থলের প্রবেশপথ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

দাফন অনুষ্ঠানে খামেনির কফিনে আরবি ভাষায় লেখা ছিল, “صلى الله عليك يا أبا عبد الله”। এর অর্থ, “আল্লাহ আপনার ওপর রহমত বর্ষণ করুন, হে আবা আবদিল্লাহ।” ‘আবা আবদিল্লাহ’ উপাধিটি শিয়া মুসলিমদের কাছে ইমাম হুসাইনের একটি সুপরিচিত উপাধি। শিয়া ধর্মীয় ঐতিহ্যে, বিশেষ করে কারবালার স্মরণে আয়োজিত শোকানুষ্ঠান ও ধর্মীয় সমাবেশে এ ধরনের বাক্যাংশ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বহু মানুষের হাতে লাল পতাকা দেখা যায়, যা শিয়া সংস্কৃতিতে একটি প্রতীকী বার্তা বহন করে। গবেষকদের মতে, এই লাল পতাকা অন্যায়ের প্রতিশোধের দাবি এবং শহীদের রক্তের ন্যায়বিচারের আহ্বানের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ কারণে দাফন অনুষ্ঠানে লাল পতাকার উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্য বহন করেছে।

এদিকে দাফন অনুষ্ঠান চলাকালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সম্ভাব্য যেকোনো হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোহাম্মদ এসলামির মতে, অনুষ্ঠানে লাল পতাকা বহনকারীরা সরকারের প্রতি প্রতীকীভাবে সর্বোচ্চ নেতার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। দাফন অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজধানীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিপুল জনসমাগমের মধ্যেও অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর