শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬৫, আরও একটি বহু ভবন ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬৩ টাইম ভিউ

গাজা সিটি দখলের লক্ষ্যে ইসরায়েল তাদের অভিযান আরও তীব্র করেছে। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) টানা হামলায় অন্তত ৬৫ জন নিহত হন এবং শহরের বহু ভবন ধ্বংস হয়। ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, এ নিয়ে গাজায় ধুলিসাৎ হওয়া ভবনের সংখ্যা দাঁড়াল ৫০-এ।

রোববারের হামলায় আল-রুয়া টাওয়ার মাটির সঙ্গে মিশে যায়। ইসরায়েল দাবি করে, ভবন খালি করার হুঁশিয়ারির পরেই তারা এ হামলা চালায়। তবে ফিলিস্তিনি পক্ষের অভিযোগ, সাধারণ আবাসিক ভবনই মূল লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। এর আগে সৌসি ও মুশতাহা টাওয়ারও একইভাবে ধ্বংস করা হয়। আল-রুয়া ভবনে ছিল ২৪টি অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান, ক্লিনিক ও জিম।ফিলিস্তিনি এনজিও নেটওয়ার্কের প্রধান আমজাদ শাওয়াহ আল-জাজিরাকে বলেন, “আজ শত শত পরিবার তাদের আশ্রয় হারিয়েছে। ইসরায়েল আমাদের দক্ষিণে সরিয়ে দিতে চাইছে, কিন্তু কোথাও কোনো নিরাপদ আশ্রয় নেই।”

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী সন্ত্রাসী অবকাঠামো ও বহুতল ভবন ধ্বংস করছে। আগস্টে দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা গাজা সিটি সামরিকভাবে দখলের একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করে।

এদিকে, আল-ফারাবি স্কুলে আশ্রয় নেওয়া অবস্থায় ইসরায়েলি বোমায় অন্তত আটজন নিহত হন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উদ্ধারকারীরা এখনো ধ্বংসস্তূপে মরদেহ খুঁজছেন। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬৪ হাজার ৩৬৮ জন নিহত এবং আরও ১ লাখ ৬২ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। খাদ্য সংকটে অনাহারে মারা গেছেন অন্তত ৩৮৭ জন, এর মধ্যে ১৩৮ শিশু। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে যুদ্ধ শেষ করার প্রস্তাবের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি এটিকে হামাসের জন্য “চূড়ান্ত সতর্কতা” বলে উল্লেখ করেন। হামাস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাওয়া প্রস্তাব তারা বিবেচনা করছে এবং যেকোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর