শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫ কলেজের অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম হঠাৎ বুকব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী! হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু বিএনপি গায়ের জোরে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

গাজার এক চতুর্থাংশ মানুষ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৭ জুলাই, ২০২৪
  • ১০১ টাইম ভিউ
xr:d:DAF_7BYgYIQ:8,j:7192670739249035621,t:24031905

বিশ্বের কাছে জাতিসংঘ প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্ববাসী কীভাবে গাজার দুর্ভিক্ষ দেখে চুপ করে রয়েছে। তারা কীভাবে এ বিষয়ে নীরব এবং উদাসীন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলায় ৩৮ হাজারেরো বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং এ নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী। বর্তমানে ফিলিস্তিনের বেশিরভাগ মানুষ গৃহহীন অবস্থায় অনাহারে রয়েছে। তাদের খাবারের সংকট রয়েছে এবং পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা তারা পাচ্ছে না।

এক্স-এর একটি পোস্টে ফ্রান্সেস্কা আলবানিজ বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের অনাহার অভিযানের কারণে ৬ মাস বয়সী ফায়েজ আতায়া এবং ১৩ বছর বয়সী আব্দুল কাদের আল-সেরহি দুর্ভিক্ষের সর্বশেষ পরিস্থিতির শিকার হয়েছে। এই জঘন্য অন্যায়ের মুখে কীভাবে আমরা নীরব, উদাসীন বা নিষ্ক্রিয় থাকতে পারি?

ক্ষুধার মাত্রার উপর জাতিসংঘের সর্বশেষ আইপিসি রিপোর্ট অনুসারে, ফিলিস্তিনের জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশ বা প্রায় ২১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ- ‘সংকট’ স্তরে বা তার বেশি মাত্রায় তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন।

আলবেনিজ বলেন, ইসরায়েলের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অনাহার অভিযানের কারণে গাজার প্রতিটি ফিলিস্তিনি এখন দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন।

এ বিষয়ে জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপোর্টার মাইকেল ফাখরি এক পোস্টে বলেন, গাজার দুর্ভিক্ষ উত্তর থেকে পুরো ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি ফিলিস্তিনি শিশুদের মৃত্যু আমাদের সবকিছু স্পষ্ট বলে দেয়। ফয়েজ আতায়া (৬ মাস বয়সী) ৩০ মে মারা যান। আব্দুল কাদের আল-সেরহি (১৩ বছর বয়সী) ১ জুন মারা যান। তারা দুজনেই অনাহারে মারা গেছে। তাই কোন সন্দেহ নেই, দুর্ভিক্ষ পুরো গাজা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

কীভাবে একটি শিশু অনাহারে মারা যায় অর্থাৎ কীভাবে দুর্ভিক্ষ আসে? তিনি বলেন, অপুষ্টি বা ডিহাইড্রেশন থেকে একটি শিশুর মৃত্যু হয়ে থাকে যা ইঙ্গিত দেয় দেশটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সামাজিক কাঠামোতে হামলা চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, যখন প্রথম শিশুটি অপুষ্টি এবং পানিশূন্যতায় মারা যায়, তখন বুঝতে হবে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, অনাহারে মৃত্যুর প্রথম খবর এসেছে উত্তর গাজা থেকে। মাহমুদ ফাতুহ (১ মাস বয়সী) ২৪ ফেব্রুয়ারিতে মারা যান। ইয়াজান আল কাফারনেহ (১০ বছর বয়সী) ৪ মার্চ মারা যান। উভয়ই অনাহারে মারা গেছে। এই মৃত্যু রোধ করতে সমগ্র বিশ্বের উচিত ইসরায়েলের গণহত্যামূলক অনাহার অভিযান বন্ধ করা।

ত্রাণ সংস্থাগুলো বলছে, প্রায়ই গাজায় ত্রাণ সরবরাহ করতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। আর এদিকে অবরুদ্ধ ছিটমহলের পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর