শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫ কলেজের অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম হঠাৎ বুকব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী! হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু বিএনপি গায়ের জোরে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

গাজার ধ্বংসস্তূপ সরাতে লাগবে ১৫ বছর, খরচ ৭ হাজার কোটি টাকা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০২৪
  • ৯৭ টাইম ভিউ

গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনে কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে গাজা। মনে করা হচ্ছে গাজার অবস্থা স্বাভাবিক হতে অন্তত ১৫ বছর লাগবে। এ কাজে ব্যায় হবে অন্তত ৫০০-৬০০ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী প্রতিদিন যদি ১০০ টিরও বেশি লরি এই ধ্বংসস্তূপ ও আবর্জনা সরানোর কাজ করে তারপরও এই সময় লাগবে। খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, জাতিসংঘের এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের হিসাব অনুসারে, গাজায় মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৭টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছ, যা এখানকার মোট ভবনের অর্ধেকেরও বেশি।

ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর মধ্যে এক-চতুর্থাংশ পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। দশ ভাগের এক ভাগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এক-তৃতীয়াংশ ভবন আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিতে ২৫০ থেকে ৫০০ হেক্টর জমি প্রয়োজন পড়বে বলেও প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।

এর আগে মে মাসে জাতিসংঘের আরেকটি সংস্থা ইউএন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম জানায়, সবচেয়ে দ্রুতগতিতে কাজ করলেও গাজা পুনর্গঠনে অন্তত ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে এবং এতে ব্যয় হবে ৪০ বিলিয়ন ডলার।

সংস্থাটি আরো জানায়, ইসরায়েলি আগ্রাসন গাজার এতটাই ক্ষতি করেছে যে, অঞ্চলটির স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সম্পদ খাতে ৪০ বছরের অর্জন স্রেফ ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে।

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে, গাজার ধ্বংসস্তূপগুলোর ভেতরে বিভিন্ন স্থানে এখনো অবিস্ফোরিত একাধিক বোমায় রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে এমন ১০টিরও বেশি বোমার বিস্ফোরণ ঘটেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর