শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

নাসার মহাকাশ কর্মসূচিতে চীনা নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬৯ টাইম ভিউ

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা সংস্থাটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও চীনা নাগরিকদের কাজ করা থেকে বিরত রাখছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তীব্র হয়ে ওঠা মহাকাশ প্রতিযোগিতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

নীতিগত এই পরিবর্তনের খবরটি প্রথম প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ নিউজ এবং পরে মার্কিন সরকারি সংস্থা নাসা বিষয়টি নিশ্চিত করে।নাসার প্রেস সেক্রেটারি বেথানি স্টিভেন্স বলেন, নাসা চীনা নাগরিকদের বিষয়ে অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ নিয়েছে। আমাদের কাজের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা তাদের জন্য আমাদের বিভিন্ন স্থাপনা, সরঞ্জাম ও নেটওয়ার্কে প্রবেশাধিকার সীমিত করেছি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে চীনা নাগরিকরা নাসার কর্মী হিসেবে না হলেও ঠিকাদার বা শিক্ষার্থী হিসেবে গবেষণা কাজে অংশ নিতে পারতেন। কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর বেশ কয়েকজন চীনা ব্যক্তি নিজেদের পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ব্লুমবার্গকে জানান, হঠাৎ করেই আইটি সিস্টেমে তাদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং ব্যক্তিগত সাক্ষাতেও তাদের যেতে নিষেধ করা হয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে চীন-বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ই চাঁদে নভোচারী পাঠানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাপোলো’ কর্মসূচির (১৯৬৯-১৯৭২) ধারাবাহিকতায় ‘আর্টেমিস’ কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে চাঁদে নভোচারী পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই কর্মসূচিতে বাজেট বৃদ্ধি ও সময়ক্ষেপণের মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, চীন ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের ‘তাইকোনট’দের (চীনা নভোচারী) চাঁদে পাঠানোর লক্ষ্য নিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তারা তাদের নির্ধারিত সময়সীমা পূরণে বেশ সফল হয়েছে।

নাসার ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক সিন ডাফি বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গল গ্রহে মার্কিন রোভারের সাম্প্রতিক আবিষ্কার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, আমরা এখন দ্বিতীয় মহাকাশ প্রতিযোগিতার মধ্যে আছি। তিনি আরও বলেন, চীন আমাদের আগে চাঁদে ফিরে যেতে চায়। সেটা হতে দেব না। যুক্তরাষ্ট্র অতীতে মহাকাশ গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেবে।

মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টাও করছে চীন। এ লক্ষ্যে ২০২৮ সালে একটি রোবট মিশন পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের, যা দ্রুততম সময়ে ২০৩১ সালের মধ্যে নমুনা নিয়ে ফিরতে পারে।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন তাদের বাজেট প্রস্তাবনায় ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির সঙ্গে যৌথভাবে পরিকল্পিত ‘মার্স স্যাম্পল রিটার্ন মিশন’ প্রকল্পটি বাতিল করার ইঙ্গিত দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, এই কাজটি নভোচারী-চালিত মিশনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যেতে পারে, যদিও এ বিষয়ে কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনো দেয়া হয়নি। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর