শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

ভারী বর্ষণ আর ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে বন্যা

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৯১ টাইম ভিউ

টানা ভারী বর্ষণ আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের তিন সীমান্তবর্তী উপজেলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে শেরপুর সদরের চরাঞ্চলের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতি উপজেলা। এই দুই উপজেলার অস্থায়ী বাঁধ ভেঙে মানুষের আবাসে ঢুকে পড়েছে পানি। এতে বেশ কিছু সড়ক ও জনপথ, এলজিইডি ও গ্রামীণ অবকাঠমোর পাকা সড়ক ডুবে গেছে।

জানা গেছে, ঝিনাইগাতির মহারশি নদীর পানি উপচে গিয়ে রামেরকুড়া, খৈলকুড়া, দিঘীরপাড় ও ডাকাবর প্লাবিত হয়েছে। নদীর পানি বিপৎসীমার ৫২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে সদর বাজারসহ বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রামেরকুড়া বেড়িবাঁধ সংলগ্ন কয়েকটি বাড়ি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। শত শত পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। তলিয়ে গেছে শত শত একর রোপা আমন ধানের ক্ষেত ও অন্যান্য ফসলের মাঠ। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে উপজেলা সদরের কয়েকটি গ্রামসহ ভাটি এলাকার কমপক্ষে ৩০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। তবে পাহাড়ি ঢলের বিশেষত্ব হলো আর ভারি বর্ষণ না হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থার উন্নতি হবে। পানি সরে গেলে ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।

এদিকে, নালিতাবাড়ীর ভোগাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৫৬ সেন্টিমিন্টার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহর রক্ষা বাঁধের কয়েকটি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। নন্নী, পোড়াগাঁ, কালাকুমা, রাজনগরসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে বন্যার ব্যাপক অবনতি হয়েছে। বাসা বাড়িতে আটকা পড়ে আছে মানুষজন ও গবাদি পশু। অপর সীমান্ত অঞ্চল শ্রীবরদী উপজেলার কয়েকটি গ্রামে ঢলের পানি দেখা গেছে। হঠাৎ পানি বাড়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তবে এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও জেলা বা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।

জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেছেন, আটকে পড়াদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। এখন উদ্ধার ও ত্রাণ পৌঁছানোই বড় চ্যালেঞ্জ। আপাতত এক হাজার প্যাকেট খাবার বিতরণের কাজ চলছে। এ পরিস্থিতি উন্নতিতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসন ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে। বর্তমান ও ভবিষ্যতে যা করণীয় প্রশাসন সব কিছু করবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর