শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

মিয়ানমারে যুদ্ধের গতিপথ পাল্টে দিয়েছে তরুণ বিদ্রোহীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪
  • ৯০ টাইম ভিউ

মিয়ানমারে ২০২১ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর সম্প্রতি সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছে সামরিক জান্তা। গত কয়েক মাসে জান্তা বাহিনীর ওপর হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে সশস্ত্র বিদ্রোহীরা। কয়েক দশকের সামরিক শাসন ও নৃশংস দমন-নিপীড়নের জেরে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও তরুণ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘাত এই সংকটকে আরো তীব্র করে তুলেছে।

গত সাত মাসে দেশটির দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় বিদ্রোহীদের প্রতিরোধের মুখে পড়েছে জান্তা বাহিনী।

বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান প্রতিরোধ ঠেকাতে মরিয়া জান্তা প্রতিনিয়ত বেসামরিক লোকজন, স্কুল ও উপাসনালয়ে বোমা হামলা চালিয়েছে। জান্তা ক্ষমতা দখলের পর শিশুসহ হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে, বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। সম্প্রতি বিবিসির প্রতিনিধিদল মিয়ানমার সফর করেছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে মাসখানেক কাটিয়েছে দলটি।

এখানকার বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী কারেনি প্রদেশ এবং চীন সীমান্তবর্তী শান প্রদেশে লড়াই করছে। মিয়ানমারে জান্তা ও বিদ্রোহীদের যে লড়াই চলছে, তা শুধু আদর্শগত লড়াই নয়, বরং প্রজন্মগত যুদ্ধ। ব্যর্থ বিপ্লবের গল্প শুনে বড় হওয়া তরুণরা এবার নিজেরাই বিপ্লব ঘটাতে রাজপথে নেমেছে। অর্ধশতাব্দীর সামরিক শাসনের পর ২০১৫ সালে অং সান সু চি ও তাঁর দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির নেতৃত্বে গণতন্ত্রের স্বাদ পায় মিয়ানমারের মানুষ।

তবে স্বাধীনতার এই স্বর্ণযুগ বেশিকাল স্থায়ী হয়নি। অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করায় তরুণদের হত্যা ও গ্রেপ্তার করা হয়। বিদ্রোহীদের পক্ষে লড়াই করা তরুণদের অনেকে বলেছেন, অস্ত্র হাতে লড়াই ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না তাঁদের। চিকিৎসক, গণিতবিদ, মার্শাল আর্ট যোদ্ধার মতো পেশা ও পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছে হাজারো তরুণ। ইয়াঙ্গুনের মতো বড় বড় শহর ছেড়ে তাঁরা যোগ দিয়েছে সামরিক শাসনবিরোধী জাতিগত ও সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে।

তাঁদের একজন নাম রি। ২২ বছর বয়সী এই তরুণ কারেনি ন্যাশনালিটিস ডিফেন্স ফোর্সে (কেএনডিএফ) যোগ দেওয়ার ব্যাখ্যায় বলেছেন, ‘কুকুররা (সামরিক বাহিনী) অন্যায় করেছে। তারা বেআইনি সামরিক অভ্যুত্থান করেছে। এতে আমার মতো যুবকরা অসন্তুষ্ট।’

অভ্যুত্থানের পর তরুণ যোদ্ধা ও কমান্ডারদের নিয়ে উত্থান কেএনডিএফের। কয়েক দশক ধরে কারেনি প্রদেশে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একতা ও যুদ্ধক্ষেত্রে সাফল্য এনে দিয়েছে কেএনডিএফ।

সূত্র : বিবিসি

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর