শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

মিয়ানমারের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, হতাশায় ব্যবসায়ীরা

প্রতিনিধি :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৭৯ টাইম ভিউ

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে গত ১২ দিন ধরে মিয়ানমারের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। এরই মধ্যে বন্দর প্রাঙ্গণে আটকে আছে বিভিন্ন পণ্য।

এরমধ্যে পচনশীল পণ্যও রয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছেন তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন টেকনাফ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এহেতাশামুল হক বাহদুর।

তিনি জানান, টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ১৩ এপ্রিল থেকে স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে বন্দরে বিপুল পরিমাণ পচনশীল এবং রপ্তানিযোগ্য পণ্য আটকে রয়েছে, যা আমাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে চরমভাবে ব্যাহত করছে। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছে- আলু (পচনশীল), সিমেন্ট ( আবহাওয়ার কারণে শক্ত হয়ে যায়), সফট ড্রিঙ্ক এবং অন্যান্য পণ্য। যেগুলো এরই মধ্যে বন্দর প্রাঙ্গণে স্টক হয়ে আছে।

টেকনাফ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, মিয়ানমারেও আমাদের আমদানিযোগ্য বিভিন্ন পণ্য স্টক হয়ে গেছে। যা সময়মতো দেশে প্রবেশ করতে না পারায় ব্যবসায়িক স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি জানান, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করতে এবং পণ্য প্রবাহ নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে বুধবার টেকনাফ আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন বলেন, ১২ দিন ধরে টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের মালামাল গুদামে পড়ে রয়েছে। মিয়ানমারের বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মির কারণে মিয়ানমারের সঙ্গে আপাতত আমদানি-রপ্তানি বন্ধ। এরকম পরিস্থিতিতে একদিকে টেকনাফ বন্দরের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সরকারও কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর