শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের উন্নয়নে জাকির হোসেনের ৩৩ বছরের অবদান সরকার সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারায় আনতে চায়: অর্থমন্ত্রী সরকারের ভুলের দায় বিরোধী দল নেবে কেন: মৌলভীবাজারে ডা. শফিকুর রহমান ‘তাদের টার্গেট মিস হয়ে গেছে’, গুলিকাণ্ডে মুখ খুললেন আসিফ মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচন ১২ নভেম্বর, মনোনয়ন জমার শেষ দিন ২৬ অক্টোবর হাম উপসর্গে আরও ৮ মৃত্যু, নতুন রোগী ১০৬৫ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৭৭ আগামী সপ্তাহেই নিউমার্কেটে ফের উচ্ছেদ অভিযান: ডিএসসিসি প্রশাসক নতুন বেতন কাঠামোয় পেনশন ব্যয় দ্বিগুণের আশঙ্কা, সংস্কারের প্রস্তাব

যারা মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার জন্য জুলাইকে ব্যবহার করেন তারা ধান্ধাবাজ : আসিফ নজরুল

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪২ টাইম ভিউ
যারা মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার জন্য জুলাইকে ব্যবহার করেন তারা ধান্ধাবাজ : আসিফ নজরুল
ছবি-সংগৃহীত

যারা মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার জন্য জুলাইকে ব্যবহার করেন তাদের ধান্ধাবাজ বা মূর্খ বলে আখ্যায়িত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

অধ্যাপক আসিফ নজরুল লেখেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ মানে যদি মনে করেন, শেখ পরিবার আর আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাচারিতার স্বাধীনতা, তাহলে আপনি মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই—দুটোরই বিরোধী। আবার আপনি যদি মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার জন্য জুলাইকে ব্যবহার করেন তাহলে আপনি ধান্ধাবাজ বা মূর্খ ছাড়া অন্য কিছু নয়।’

সাবেক এই উপদেষ্টা লেখেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের একটা লেখা পড়েছিলাম। ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিনি ঢাকা শহরের অবস্থা দেখতে বের হয়েছিলেন। সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে এসে দেখেন এক নারকীয় দৃশ্য। একজন কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ ও খুন করে ফেলে রাখা হয়েছিল। মেয়েটি বিহারি ছিল।’

আসিফ নজরুল আরও বলেন, ‘পরদিন ১৮ ডিসেম্বর প্রকাশ্যে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে কয়েকজন কথিত রাজাকারকে খুন করা হয়েছিল ঢাকা স্টেডিয়ামে। ইতালীয় সাংবাদিক Oriana Fallaci এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন এবং এ বিষয়ে লিখেছিলেন। এরপরও ১৯৭২-৭৫ সালে আওয়ামী লীগের অনেকে ও মুক্তিযোদ্ধা নামধারী কিছু মানুষ নারকীয় ও পাশবিক কাণ্ড করেছে দেশে। মনে আছে এসব?’

সাবেক আইন উপদেষ্ট বলেন, ‘ব্যক্তিবিশেষের এসব অপকর্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে, এটা কি আমরা বলেছিলাম? বলিনি।’

তিনি বলেন, ‘৮ আগস্ট একজন পতিত প্রধানমন্ত্রীর অন্তর্বাস প্রদর্শন খুবই অনুচিত ও গর্হিত কাজ। এদিনের পরও জুলাই যোদ্ধার নামে বহু জঘন্য কাজ করা হয়েছে। কিন্তু এজন্য জুলাই-ই শেষ হয়ে গেছে, এটা বলা কি ঠিক হচ্ছে?’

আসিফ নজরুল বলেন, ‘কথায় কথায় জুলাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটা মরিয়া প্রচেষ্টা এখন দেখি। মুক্তিযুদ্ধ আর জুলাইকে মুখোমুখি করারও একটা হীন চেষ্টা থাকে কারও কারও মধ্যে। এসব খুবই অন্যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘কথায় কথায় জুলাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটা মরিয়া প্রচেষ্টা এখন দেখি। মুক্তিযুদ্ধ আর জুলাইকে মুখোমুখি করারও একটা হীন চেষ্টা থাকে কারও কারও মধ্যে। এসব খুবই অন্যায়।’

ফেসবুকে অধ্যাপক আসিফ লেখেন, ‘জুলাই বরং মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত প্রত্যাশা পূরণের অসামান্য আত্মত্যাগী লড়াই। মুক্তিযুদ্ধ আসলে কী, সেটা বুঝলে জুলাইয়ের বিরোধিতা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর