শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

সাগরতলে এশিয়ার বৃহত্তম স্বর্ণখনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৯ টাইম ভিউ
সাগরতলে এশিয়ার বৃহত্তম স্বর্ণখনি
সাগরতলে এশিয়ার বৃহত্তম স্বর্ণখনি

সাগরের তলদেশে এশিয়ার সবচেয়ে বড় স্বর্ণখনির সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে চীন। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শ্যানডং প্রদেশের ইয়ানতাই জেলার লাইজহৌ উপকূলের কাছে সমুদ্রতলের নিচে এই বিপুল স্বর্ণভাণ্ডারের অস্তিত্ব শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।ইয়ানতাই জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা চীনা সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে জানান, প্রাথমিক ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী ওই সাগরতলের খনিতে ৩ হাজার ৯০০ টনেরও বেশি স্বর্ণ মজুত থাকতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, এই পরিমাণ স্বর্ণ চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট স্বর্ণ মজুতের প্রায় ২৬ শতাংশের সমান।

তবে নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণে খনিটির অবস্থান, গভীরতা কিংবা উত্তোলন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ স্বর্ণখনিই নয়, বরং সাগরতলের মধ্যে শনাক্ত হওয়া সবচেয়ে বড় স্বর্ণখনি হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

এর আগে গত মাসেই চীনের লিয়াওনিং প্রদেশে আরেকটি বড় স্বর্ণখনির সন্ধান পাওয়া যায়, যেখানে প্রায় ১ হাজার ৪৪০ টন স্বর্ণ মজুত থাকার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছিল। একই সময়ে কুনলুন পার্বত্য অঞ্চলেও একটি স্বর্ণখনির অস্তিত্ব শনাক্ত করা হয়, যার মজুত ধরা হচ্ছে প্রায় ১ হাজার টন। চীনের স্বর্ণ শিল্প নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা চায়না গোল্ড অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বর্ণ আকরিক উৎপাদক দেশ। শুধু গত বছরেই দেশটিতে ৩৭৭ টন স্বর্ণ আকরিক উৎপাদন হয়েছে।

তবে উৎপাদনে শীর্ষে থাকলেও প্রমাণিত স্বর্ণ মজুতের দিক থেকে চীন এখনও দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও রাশিয়ার মতো দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। বিশ্ববাজারে ডলারের ওঠানামা ও আর্থিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে সোনাকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক্স, মহাকাশ প্রযুক্তি ও আধুনিক শিল্পে স্বর্ণের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে ব্যাপক জোর দিয়েছে চীন। এ লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রাডার ব্যবস্থা এবং উপগ্রহভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন দেশটির ভূতাত্ত্বিকরা।

বিশ্বজুড়ে সোনার দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রমও সম্প্রসারণ করেছে বেইজিং। চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত বছর ভূতাত্ত্বিক অনুসন্ধান খাতে দেশটি ব্যয় করেছে প্রায় ১১ হাজার ৫৯৯ কোটি ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় বিপুল অঙ্কের সমান।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর