মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সুপারিশ জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান; মজুত ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট বাড়লো যানবাহনে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও, রাত ৮টা থেকে কার্যকর মানবসেবায় ৭ বার রক্ত দিয়েছেন জাইমা রহমান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী টানা পতনের পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে ৪ মামলা, আসামি সাড়ে ১০ হাজার হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধ বন্ধে খসড়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা, দোহা ছাড়লেন ইরানি প্রতিনিধিরা ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আজ রাতে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে

পদ্মা নদীতে জাটকা সংরক্ষন ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২দিনের নিষেধাজ্ঞায় অলস সময় কাটাচ্ছেন জেলেরা

নুরুল হক মিলন গোয়ালন্দ রাজবাড়ী প্রতিনিধি :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৬ টাইম ভিউ

রাজবাড়ী জেলার পদ্মা নদীতে জাটকা সংরক্ষন ও মা ইলিশ রক্ষায় ২২দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ অভিযান চলমান রয়েছে। পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে মৎস্যবিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে নদীতে অভিযান চালানো হচ্ছে। ফলে পুরো নদী এখন জেলে শূন্য।

এই নিষেধাজ্ঞার সময় প্রতি জেলে ভিজিএফের চাল পাবে ২৫ কেজি করে। জেলেদের অভিযোগ, সরকারের আইন মেনে তারা নদীতে যাচ্ছেনা। কিন্তু বরাদ্ধকৃত সরকারি  ভিজিএফের চাল প্রকৃত জেলেদের না দিয়ে অন্য পেশার লোকজনকে দেয়া হচ্ছে।

এদিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় জেলেরা মাছ শিকার করার নৌকা নিয়ে অলস সময় পার করছে এবং  একাধিক জেলেরা বলেন আমরা ঝাটকা ইলিশ ধরি না বড় মাছ ধরি। তবে প্রশাসনিক ঝামেলায় নদীতে নামতে পারছি না। এতে করে অলস সময় কাটাচ্ছেন জেলেরা। নদীর পাড়ে জাল ও নৌকা মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা। বন্ধ রয়েছে উপকূলীয় এলাকার বরফ কলগুলোও।

ইলিশের নিরাপদ প্রজনন  নিশ্চিতে, ৩ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। চলবে আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। রাজবাড়ীর পদ্মা নদী এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে। এ সময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুদকরণ নিষিদ্ধ রয়েছে।

জেলেরা  আরো জানান, নিষেধাজ্ঞার সময়টাতে মাছ ধরার নৌকা ও জাল ঘাটের আশ-পাশে বিভিন্ন  মেরামতে কাজে  ব্যস্ত সময় পার করছে তারা,  জাটকা সংরক্ষন ও ইলিশের উৎপাদনের লক্ষ্যে সরকার যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটা মেনে জেলেরা নদীতে নামছেনা। কিন্তু জেলেদের পুনর্বাসন করার কথা থাকলেও সেটা এখন পর্যন্ত হয়নি। যে পরিমান জেলে রয়েছে, সে পরিমান সরকারি খাদ্য সহায়তা দেয়া হয় না, বলে অভিযোগ করেন জেলেরা। নিষেধজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল লুটপাট না করে সঠিক তালিকা তৈরি করে দ্রুত যেন তা পেতে পারে সেটা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ত্রিনাথ সাহা জানান, এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করার জন্য নদীতে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা-জেলা প্রশাসন,নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে নদীতে অভিযান চলছে। এটি নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন অব্যাহত থাকবে। এরপরও যারা আইন অমান্য করে নদীতে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে,  ইতিমধ্যে ঝাটকা ইলিশ নিধনে অনেক জেলেদের জেল জরিপানা দেয়া হয়েছে। অভিযান চলমান রয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর