বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংবিধানে শিক্ষা ও চিকিৎসার অধিকার নিশ্চিতের আলোচনা আগামী বছর গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৫ কর্মকর্তার রদবদল শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান গার্মেন্টস মালিকদের বরগুনায় যৌন নিপীড়ন থেকে বাচতে চলন্ত অটো থেকে লাফ দিল দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বছরে ১৫৪ কোটি ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন শ্রমিকদের আন্দোলনে ফ্যাসিস্টরা ঢুকলে দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বদ্ধের প্রতিশ্রুতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট শুরু

পাকিস্তানি পোশাকের নামে প্রতারণা, ‘সানভীস বাই তনি’র শোরুম সিলগালা

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
  • ১২৮ টাইম ভিউ

অনলাইনে পাকিস্তানি পণ্য বিক্রির প্রচার করা হয়। তারপর ক্রেতারা সেই পণ্যের জন্য অর্ডার ও টাকা প্রেমেন্ট করার পর সরবরাহ করা হতো দেশীয় কম দাবি পোষাক। এই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয় ‘সানভীস বাই তনি’র শোরুমে। অভিযোগের সত্যতাও মিলে।

জানা যায়, পাকিস্তানি বলে বেশি দামে দেশি পোশাক বিক্রি করার অভিযোগে রাজধানীর গুলশানে ‘সানভীস বাই তনি’র শোরুম সিলগালা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।গতকাল সোমবার (১৩ মে) গুলশান শুটিং ক্লাব এলাকায় পুলিশ প্লাজা মার্কেটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত মুখ রোবাইয়াত ফাতেমা তনি। রাজধানীতে কয়েকটি শোরুম আছে তার।

অনলাইনেও বিক্রি করেন পোশাক এবং কসমেটিক্স। তবে এবার আলোচনায় আসলেন প্রতারণার অভিযোগে। ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর বলছে, তৈরি পোশাক বিক্রির লাইসেন্স নিয়ে অবৈধভাবে কসমেটিক্স বিক্রি করা হতো এই আউটলেটে।

ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযোগের সফটওয়্যারে এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে কিছু অভিযোগ আসার পর প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে এবং এই দোকানে দেশি পোশাকগুলো বিদেশি বলে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিল।আব্দুল জব্বার মণ্ডল বলেন, তারা অনলাইনে পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করে। কিন্তু ডেলিভারি দেওয়ার সময় দেশি ড্রেস দেয়। শত শত কাস্টমার এভাবে প্রতারিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘প্রতারণার বিষয়ে অভিযোগ এলে তাদের শুনানির জন্য নোটিশ করা হয়েছে। তারা সেটি দেখেও জবাব দেয়নি। তারা যেহেতু কোনো জবাব দেয়নি, উপস্থিত হয়নি, আমাদের কাছে মনে হয়েছে এসব অভিযোগের সত্যতা রয়েছে। এখানে এসে সেটার প্রমাণ পেয়েছি। তারা পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো কাগজপত্র, প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তাদের শুধু ট্রেড লাইসেন্স আছে, সেটা সাধারণ পোশাক বিক্রেতা হিসেবে।’

তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের শোরুম বন্ধ করে দিয়েছি। এখন তারা কাগজপত্র নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে হাজির হয়ে প্রমাণ দেবে। এ ছাড়া কতগুলো কাস্টমারকে এসব ড্রেস সরবরাহ করা হয়েছে সেসব তথ্য দেবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর