মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পোস্টমর্টেম জরুরি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদালতের সাক্ষ্যতে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন রামিসার মা-বাবা শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে সম্পাদকদের নতুন সংগঠন চীনে প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ কর্মকর্তা বিদ্যুতের দাম বাড়ছে কি না জানা যাবে বুধবার সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হলেন আলি আকবর খান হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত স্ত্রী ঋণখেলাপি হলেও খুরশীদ আলমের চেয়ারম্যান হতে বাধা নেই: বাংলাদেশ ব্যাংক বাবা-মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তোফায়েল আহমেদ

স্ত্রী ঋণখেলাপি হলেও খুরশীদ আলমের চেয়ারম্যান হতে বাধা নেই: বাংলাদেশ ব্যাংক

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ৮ টাইম ভিউ
স্ত্রী ঋণখেলাপি হলেও খুরশীদ আলমের চেয়ারম্যান হতে বাধা নেই: বাংলাদেশ ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম ঋণখেলাপি কিনা, এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, খুরশীদ আলম নিজে ঋণখেলাপি নন, তাঁর স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি।

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে– ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া একটি প্রতিষ্ঠানের যৌথ মালিক খুরশীদ আলমের স্ত্রী। ওই ঋণ পরে খেলাপি হয়েছে। ফলে খুরশীদ আলমকে ঋণখেলাপি হিসেবে অভিহিত করা সঠিক নয়। তাঁর স্ত্রীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপি হলেও খুরশীদ আলম ব্যক্তিগতভাবে ঋণখেলাপি নন। স্ত্রীর ঋণ খেলাপির কারণে খুরশীদ আলমের চেয়ারম্যান হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।

এদিকে, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে খুরশীদ আলমের স্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক জামাল মোল্লার স্ত্রীর নামে একটি কোম্পানি দিলকুশা শাখা থেকে ঋণ নেয়। কোম্পানির নাম ‘এগ্রোকর্প লিমিটেড’, যা পরে খেলাপি হয়ে পড়ে। কোম্পানিটির অস্তিত্ব নেই। বর্তমানে খেলাপির পরিমাণ ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। তখন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন মোহাম্মদ সাইফুল আলম বা এস আলম।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পদত্যাগ করতে হয় খুরশীদ আলমকে। আর জামাল মোল্লাকে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

খুরশীদ আলমকে ঘিরে সম্প্রতি পুরোনো অভিযোগও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর অফিসে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কৌশলে ৫৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ একটি অফিস আদেশ জারি করে।

ওই আদেশে বলা হয়, ২০১৭ সালের ৩ এপ্রিল খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক স্টাফ রেগুলেশনস-২০০৩-এর ৪৪ (১) (বি) ধারা অনুযায়ী তাঁর দুটি বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) বন্ধ করা হয়।

তবে দীর্ঘ আট বছর পর ওই ঘটনার বিষয়ে অবস্থান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সে সময় খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। ফলে তাঁকে যে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, তা যথাযথ ছিল না। এ কারণেই পরে তিনি নির্বাহী পরিচালক এবং ডেপুটি গভর্নর হিসেবে পদোন্নতি পান।’

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে খুরশীদ আলমের নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে তাদের সিদ্ধান্ত সঠিক। কোনো ধরনের আন্দোলন বা চাপের মুখে বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবে না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর