আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ খাত থেকে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আমিত। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের আগ্রহের কারণে সরকার এ খাতে নীতিগত সহায়তা দিচ্ছে। ফলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে দেশের প্রথম রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। পরে তিনি শহরের লালদিঘি পাড়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীতি অনুসরণ করে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে ৬ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশের আর কোনো রাজনৈতিক কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই।’
যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ের এই উদ্যোগ দেখে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের দলীয় কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপনে আগ্রহী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, সেচ পাম্পগুলোও পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎচালিত করা হবে। এতে ডিজেল ও বিদ্যুতের ওপর চাপ কমবে। পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদন ব্যয়ও কমে আসবে।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। কার্যালয়ের নিজস্ব বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করারও ব্যবস্থা রয়েছে। সব মিলিয়ে আগামী তিন থেকে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সৌর প্যানেল স্থাপনের খরচ উঠে আসবে বলে তিনি মনে করেন।