সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় জোর রাষ্ট্রপতির জাপানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন যারা ফ্রান্সে দিনভর বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ১৩১৪ বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে বাংলাদেশে আবার বিদ্যুৎ পাঠাচ্ছে নেপাল অক্টোবরে ২৪ দিনে এলো ২৬৪০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ পতিত ফ্যাসিস্টদের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুই মাসে মাদক সংশ্লিষ্টতায় ২৭ পুলিশ সদস্য কারাগারে : আইজিপি বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছে : শফিকুর রহমান ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওবামার কড়া সমালোচনা করলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা

আশা জাগিয়েও হারল বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয়

ক্রীড়া ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ৭২ টাইম ভিউ
আশা জাগিয়েও হারল বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয়

শুরুটা হয়েছিল দারুণ। ৩ ওভারেই বাংলাদেশ তুলে ফেলেছিল ৪২ রান। ১৯৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে টি–টোয়েন্টি ম্যাচ জয়ের জন্য যেমন প্রয়োজন, তেমন ঝড়ের মতো শুরু করেও বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি। আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দ্বিতীয় ও শেষ টি–টোয়েন্টিতে ৭ রানে হেরে তিন ম্যাচের সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার কাছে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই খুইয়ে ফেলল বাংলাদেশ।

শেষ ৩ বলে ১৮ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। তাওহিদ হৃদয় প্রথম বলেই ছক্কা মেরে আশা জাগান। কিন্তু পরের বলে চার মারেন। ফলে শেষ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৮ রান। ইনিংসের শেষ বলে তিনি ক্যাচ দেন বাউন্ডারি লাইনের কাছে।

ব্যাটিংয়ের মতো বল হাতেও বাংলাদেশ শুরুটা ভালো করেছিল। শরীফুল ইসলামের বদলে নাহিদ রানা আর মেহেদী হাসানের জায়গায় সুযোগ পান নাসুম আহমেদ। দুজনেই ইনিংসের ৪ ওভার পেরোনোর আগে উইকেটও পেয়েছেন।১১ বলে ৬ রান করা জশ ইংলিসকে এলবিডব্লু করেন নাসুম, ফর্মে থাকা কুপার কনোলি ৪ বলে ১ রান করে আউট হন নাহিদের বলে ক্যাচ দিয়ে। পাওয়ার–প্লের মধ্যেই আরও একটা উইকেটও পেয়ে যায় বাংলাদেশ। সাইফ হাসানের দুর্দান্ত এক ক্যাচে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে আউট হন মিচেল মার্শ।

৬ ওভার শেষে ৩ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল ৪৩। সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিডের ৯৭ রানের জুটিতে বড় স্কোরের দিকে এগোয় অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে তোলে ১৯৬ রান। ২৬ বলে ৪৫ রান করে ডেভিড আউট হলেও অপরাজিত থাকেন রেনশ। ৪ চার ও ৫ ছক্কায় তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৫২ বলে ৮৯ রান।

বড় রান তাড়া করতে নেমে তানজিদ ঝোড়ো শুরু করে ভিতটা তৈরি করে দিয়েছিলেন ঠিকঠাক। কিন্তু ইনিংস বেশি লম্বা করতে পারেননি। ৪ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ৩০ রান করে আউট হয়ে যান রেনশর বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে। তিনে নামা সৌম্য ৯ বলে ১৫ রান করে আউট হন। তবে তখনো দলকে পথ হারাতে দেননি সাইফ হাসান ও পারভেজ। শুরুটা একটু ধীর হলেও পরে তা কিছুটা পুষিয়ে দিয়েছিলেন সাইফ।

এই দুজনের জুটিতে ৩৬ বলে আসে ৫৩ রান। কিন্তু অ্যারন হার্ডির বলে পারভেজ ২২ বলে ৩৬ ও সাইফ ৩৩ বলে ৪২ রান করে আউট হয়ে যান। এরপর বাকি পথটা আর পাড়ি দিতে পারেনি বাংলাদেশ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর