সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জিয়াকে গুলি করেন মতিউর, হত্যার আগে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে এরশাদ : জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপর ইরানের সাথে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প ড্রোন হামলায় সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ, বাড়ছে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিকেন্দ্রীকরণে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরো ৪০ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, অর্ধেকে নেমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন রংপুর অভিমুখে লংমার্চে পাঁচ জেলায় পাঁচ পথসভা করবে ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা সিটি নির্বাচন: এনসিপির প্রার্থী উত্তরে আসিফ মাহমুদ ও দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

খারগ দ্বীপের কাছে ইরানি ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৭ টাইম ভিউ
খারগ দ্বীপের কাছে ইরানি ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
ছবি-সংগৃহীত

খার্ক দ্বীপ থেকে ছয় নটিক্যাল মাইল দূরে পারস্য উপসাগরে একটি ইরানি ট্যাংকার যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় সকালে হামলাটি চালানো হয় বলে ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে।তাসনিম জানায়, কয়েক ঘণ্টা আগে খার্ক দ্বীপের কাছাকাছি পারস্য উপসাগরের দিক থেকে কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

খার্ক দ্বীপ থেকে তাসনিমের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ছোট একটি ইরানি তেল ট্যাঙ্কার মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। খার্ক দ্বীপের উপকূলে নোঙর করার স্থানে অন্তত চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ট্যাঙ্কারটিতে আঘাত হানে।

স্থানীয় সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থাটি জানায়, এ হামলার ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। ট্যাঙ্কারটির নাবিকরা জাহাজটি থেকে সরে যাওয়ার সময় হামলাটি চালানো হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং কোনো পরিস্থিতিতে হামলার ঘটনাটি ঘটেছে তা তদন্ত করে দেখছে। খার্ক দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের রপ্তানিকৃত তেলের ৯০ শতাংশ খার্ক দ্বীপ থেকে সরবরাহ করা হতো।

কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটিতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্য মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। এতে দেশটির অর্থনীতির ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এ হামলার বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেয়নি আর মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড তারা আঘাতটি হেনেছে কি না, এমন প্রশ্নে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

৩১ অগাস্ট যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এআই দিয়ে তৈরি একটি ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করে জানিয়েছিলেন, ইরানের তেল কেন্দ্র খার্ক দ্বীপ ‘চূর্ণবিচূর্ণ করে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

কিন্তু এরপর খার্কে এ ধরনের কোনো হামলা হয়েছে, এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। খার্কে কোনো হামলা চালানো হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে ওই সময় ইরানি নেতারা হুঁশিয়ার করেছিলেন।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান বিশ্বের তেল-গ্যাস সরবরাহের গুরুত্বপূণ জলপথ হরমুজ প্রণালি কার্যকরভাবে বন্ধ করে রেখেছে। এরপর থেকে সমুদ্রপথে ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করতে দেশটির বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করে রেখেছে মার্কিন নৌবাহিনী।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর