রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামালপুরে অনুষ্ঠিত ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী আলোচনা রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অপতথ্য ঠেকাতে সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণ নিয়ে মোদি-ইব্রাহিমের আলোচনা পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী’, গুমের নির্দেশদাতা ছিলেন: স্পিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচের কথা বলে ডেকে নিয়ে দুই নৃত্যশিল্পীকে নৌকায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের কোনো অস্তিত্ব রাখা হবে না: ডিএমপি কমিশনার রাজধানীতে পৃথক স্থান থেকে ৪ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস সদস্যদের সঙ্গে কাজ করবে চীন: শি জিনপিং

তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর প্রথম গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ড

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২২ টাইম ভিউ
তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর প্রথম গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ড

কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের ১০ বছর পর এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তার নাম হাফিজুর রহমান। তিনি সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার।

তাকে গ্রেপ্তারের পর বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে কুমিল্লা আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন কুমিল্লা সদর আদালত-১ এর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হক।তনুর ভাই রুবেল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে তারা কুমিল্লা আদালতে অবস্থান করছেন।

এর আগে সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গত ৬ এপ্রিল সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ ম্যাচিং করার নির্দেশ দেন একই আদালত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম সেদিন বলেন, আগেই তনুর ব্যবহারের কিছু কাপড় থেকে তিনজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল করা হয়। এগুলো পরে আর ম্যাচিং করা হয়নি। তাই আদালত ওই তিনজন সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন। তারা সবাই সেনাবাহিনী থেকে অবসরে গেছেন।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। খোঁজাখুঁজির পর সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার লাশ পাওয়া যায়।

পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। শুরুতে থানা-পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি।

সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি তদন্ত করে পিবিআই। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলার ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম। মামলার বাদী তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, “মেয়ে হত্যাকাণ্ডের ১০ বছর পার হয়েছে। মরার আগে নতুন সরকারের কাছে মেয়ে হত্যার বিচার দেখে যেতে চাই।”

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর