সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জিয়াকে গুলি করেন মতিউর, হত্যার আগে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে এরশাদ : জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপর ইরানের সাথে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প ড্রোন হামলায় সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ, বাড়ছে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিকেন্দ্রীকরণে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরো ৪০ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, অর্ধেকে নেমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন রংপুর অভিমুখে লংমার্চে পাঁচ জেলায় পাঁচ পথসভা করবে ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা সিটি নির্বাচন: এনসিপির প্রার্থী উত্তরে আসিফ মাহমুদ ও দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নওগাঁ-২ আসনে জয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী শহীদুজ্জামান সরকার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৬৩ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া নওগাঁ-২ (ধামইরহাট-পত্নীতলা) আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী শহীদুজ্জামান সরকার।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. গোলাম মাওলা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, প্রতিদ্বন্দ্বী চারজন প্রার্থীর মধ্যে নৌকার বিজয়ী প্রার্থী মো. শহীদুজ্জামান সরকার পেয়েছেন এক লাখ ১২ হাজার ৬৯৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এইচ এম আক্তারুজ্জামান আলম ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৪৮৩ ভোট।

জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন তিন হাজার ৭০৮ ভোট। অন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মেহেদী মাহমুদ রেজা ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন এক হাজার ৩৮৬ ভোট। নির্বাচনে ভোট পড়ার হার ৫৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

নওগাঁর জেলা প্রশাসক ও জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা গোলাম মওলা বলেন, গত ৭ জানুয়ারীর মত এই নির্বাচন যথেষ্ঠ সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করার কারণে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিস্থিতি খুবই সন্তোষজনক ছিল। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলার এই দুই উপজেলাকে নিরাপত্তার চাঁদরে ঢেকে ফেলা হয়েছিল। কারণ গত ৭ জানুয়ারী সারাদেশের সাথে পুরো জেলায় এক সাথে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সে তুলনায় মাত্র একটি আসনে নির্বাচন হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকগুণ বেশি গ্রহণ করা সহজ হয়েছিল। প্রতিটি কেন্দ্রে ৪ জন তরে পুলিশ সদস্য রাখা হয়েছিল। প্রতিটি কেন্দ্রেই মোবাইল টিম নিয়োজিত ছিল। প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেছেন। এই দুই উপজেলায় মোট ৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য নিয়োজিত ছিল। এ ছাড়াও প্রয়োজনীয় সংখ্যক আনসার সদস্যও নিয়োজিত ছিল। এক কথায় শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ৭ জানুয়ারি এই আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে একজন বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়ায় ভোটের প্রক্রিয়া বাতিল করে পরবর্তীতে নতুন করে তফসিল দেয় নির্বাচন কমিশন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর