শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা : প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা দেবাশীষ ও গুলশান আরা কারাগারে ‘হিলারি ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন অধ্যাপক ইউনূস দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জামায়াত আমিরের “শিল্পী সমাজের প্রতি দর্শকের আস্থার সংকট, নাকি রাজনীতির অদৃশ্য প্রভাব ?” জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা কুমিল্লায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ হাসনাতের যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে সরকারি কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৭ রাশিয়ায় চার ইউরোপীয় দেশের কোম্পানির সম্পদ নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে মস্কো

মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা : প্রধানমন্ত্রী

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২ টাইম ভিউ
মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা : প্রধানমন্ত্রী
ছবি-সংগৃহীত

দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর বাণীতে বলা হয়, হিন্দুধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন, শত্রুর বিনাশ এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন। ধর্মীয় উৎসব পালন বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য।

তিনি বলেন, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন প্রকাশ পায়।

সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মের মূল উপজীব্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের অন্যতম প্রধান শিক্ষা। তাই নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুসরণের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখা সবার জন্য জরুরি।

তিনি বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই সরকারের অঙ্গীকার। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।

হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে উৎসবের আনন্দ উদযাপন করুন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর