শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাইবার আইনের খসড়ায় মতপ্রকাশের ঝুঁকি রয়েছে : টিআইবি বাব আল-মান্দেব দিয়ে সৌদি জাহাজ চলাচলে হুতির নিষেধাজ্ঞা চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া : প্রধানমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আলজেরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন কালিন্দী সীমান্তে ১০-১২ জনকে পুশ-ইনের বিএসএফের অপচেষ্টা, বিজিবির দৃঢ়তায় ব্যর্থ সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিমের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরামের শোক মাউন্ট এলব্রুসে উড়বে বাংলাদেশের পতাকা, রাশিয়া যাচ্ছেন এভারেস্টজয়ী শাকিল ১৮ ঘণ্টায় লোহিত সাগর উপকূলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল হুথিরা নরসিংদীতে নদীতে গোসলে নেমে নারীসহ ৪ জন নিখোঁজ ‘হয় আমি থাকব, না হয় দুর্নীতি’, হাসপাতালে হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ সব স্থাপনা উচ্ছেদ করল কর্তৃপক্ষ

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৩ টাইম ভিউ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ সব স্থাপনা উচ্ছেদ করল কর্তৃপক্ষ
ছবি-সংগৃহীত

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে বানানো ‘নামাজের জায়গাসহ’ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সেখানে অভিযান চালায়।ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রাসেল রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “নামাজের জায়গা বলে আলাদা কোনো ব্যাপার নেই। যত অবৈধ স্থাপনা ছিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর, সবই উচ্ছেদ করা হয়েছে।”

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে বানানো হয়েছিল নামাজের জায়গা। পাশে ওজুর জন্য রাখা ছিল পানির ড্রাম। এক জায়গায় সাদা কাগজে ‘নামাজের জায়গা’ লিখে ঝুলিয়েও দেওয়া হয়েছিল। আর মসজিদ তৈরির জন্য নেওয়া হচ্ছিল ‘গণস্বাক্ষর’। শুক্রবার দুপুরে সেখানে জায়নামাজ পেতে নামাজও পড়েন একদল লোক। উদ্যানে এমন কর্মকাণ্ড দেখতে ভিড় করছিলেন অনেকে। রাজিব শাহ নামে একজন নামাজের জায়গাটি তৈরি করেছিলেন বলে উদ্যানের লোকজনের ভাষ্য।

এ পরিস্থিতিতে নামাজের জায়গাসহ সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। অভিযানের আগে গেল বৃহস্পতিবার নোটিসও দেওয়া হয়। নোটিসে বলা হয়, “সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু বহিরাগত অসাধু ভবঘুরে ও একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মন্দিরের গেট বরাবর কিছু অবৈধ দোকানপাট বসিয়েছে এবং উদ্যানের এম্পিথিয়েটার সংলগ্ন কিছু স্থান জুড়ে অস্থায়ী নামাজের স্থান নির্মাণের নামে উদ্যানের জায়গা দখল করে দিনরাত অবস্থান করছেন। প্রকল্পের আওতাধীন একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন মসজিদ উদ্যানে থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এই বহিরাগতরা অস্থায়ী নামাজের স্থান নির্মাণ করে নিয়মিত অবস্থান করছেন বলে সর্বসাধারণ মনে করছে।

“তাদের বারবার ওই স্থান ছেড়ে যাওয়ার জন্য বলা হলেও তারা হুমকি-ধমকি দেখানোসহ গণপূর্ত উপ-বিভাগের কর্মচারী ও আনসার বাহিনীর সঙ্গে রূঢ় আচরণ করছেন। এ বিষয়ে রমনা গণপূর্ত উপ-বিভাগ-৩ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।”রোববার সেখানে অভিযানের আগে উদ্যানের নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে আহ্বায়ক করে ১১ সদস্যের কমিটি করা হয়। এতে ডিএমপি ও ডিএসসিসির প্রতিনিধিদেরও রাখা হয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর