মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিউমার্কেটসহ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-ফুটপাত হকারমুক্ত হবে : সেতুমন্ত্রী মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স সরকারের : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঘিরে সমালোচনা, ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম ডিআরইউয়ের মিষ্টির শূন্য আসনে এলিজা জামানকে মনোনয়ন দিল বিএনপি কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১ শয়তানকে তুচ্ছজ্ঞান করুন: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা দুই বছরের মধ্যে জেলায় জেলায় বসবে রেডিওথেরাপি মেশিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন নিয়ে এলো বড় সুখবর আঞ্চলিক নিরাপত্তার আলোচনায় সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান

হাম হলে করণীয়: শিশুকে নিরাপদ রাখতে জরুরি নির্দেশনা

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৬ টাইম ভিউ
হাম হলে করণীয়: শিশুকে নিরাপদ রাখতে জরুরি নির্দেশনা

Measles বা হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা বর্তমানে আবারও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। টিকাদানের ঘাটতি, অপুষ্টি এবং অসচেতনতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে বলে সতর্ক করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

হাম মূলত কাশি-হাঁচির মাধ্যমে ছড়ায় এবং বাতাসে ভাসমান ভাইরাস দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। তাই আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে সহজেই সংক্রমণ ঘটে। প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সময়মতো এমএমআর টিকার দুটি ডোজ নিশ্চিত করা। পাশাপাশি নিয়মিত হাত ধোয়া, কাশি-হাঁচির সময় টিস্যু ব্যবহার এবং আক্রান্ত শিশুকে ৭–১০ দিন আলাদা রাখা জরুরি।

আক্রান্ত শিশুর দ্রুত সুস্থতার জন্য সঠিক পুষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নরম খিচুড়ি, ডাল, স্যুপ, ফলমূল, ডাবের পানি এবং পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ শরীরকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার, ঘরে আলো-বাতাস চলাচল নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে ভাজাপোড়া, ঝাল, অতিরিক্ত মিষ্টি, ঠান্ডা খাবার ও প্রসেসড ফুড এড়িয়ে চলা উচিত। এসব খাবার শরীরে প্রদাহ বাড়িয়ে রোগ দীর্ঘস্থায়ী করতে পারে। বিশেষ করে গরুর মাংস বা শক্ত খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে, যা দুর্বল শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

তবে কিছু লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। যেমন—শ্বাসকষ্ট, তিন দিনের বেশি জ্বর, খাবার না খাওয়া বা চোখ ফুলে যাওয়া। মনে রাখতে হবে, হাম প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগ। সময়মতো টিকা, পুষ্টিকর খাবার এবং সচেতনতা—এই তিনটি বিষয়ই শিশুকে নিরাপদ রাখতে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর