গণমাধ্যম কর্মীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে। সাংবাদিক নির্যাতন, হয়রানি ও সাংবাদিকদের উপর সহিংসতার ঘটনা বেড়েই চলেছে। সাংবাদিকরা সমাজের রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। কিন্তু সাংবাদিকদের উপর যখন নির্যাতন, হামলা ও হয়রানি করা হয় তখন সমাজ ও রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ দুর্বল হয়ে পড়ে। সাংবাদিকরা তাদের কলমের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতির খবর প্রকাশ করে দেশকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
রাজধানী মিরপুরে দৈনিক সময়ের আওয়াজ ও প্রতিদিনের ডাক কম এর অফিসে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট করে কিছুদূর্বৃত্তরা। রাজধানী মিরপুর ২ নাম্বার লাভ রোডের অবস্থিত দৈনিক সময়ের আওয়াজ ও প্রতিদিনের ডাক ডট কম, যুবলীগ নেতা মোঃ সোহাগ চাঁদাবাজি ও অবৈধ সম্পদের পাহাড় যার বাবা একজন ভিক্ষুক এবং তার ভাই ভাতিজা আত্মীয়-স্বজন সবাই গাঁজা ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিত, তাদের বিরুদ্ধে পল্লবী থানা ও রূপনগর থানায় অসংখ্য অভিযোগ আছে যুবলীগের কর্মী হিসেবে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে চাঁদাবাজি ছিনতাই এবং মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল।
এই ফ্যাসিবাদ সরকার আমলে এই সন্ত্রাসী মোঃ সোহাগ তার অবস্থান মিরপুর ৭ নম্বর সেকশনে এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় এই চাঁদাবাজ সোহাগ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে মুদি দোকান চায়ের দোকান এবং এমনকি ভ্যানে সবজি বিক্রি করে তার কাছ থেকেও থেকে প্রতি দিন ৩০০ টাকা চাঁদা নিতো এবং ওই চাঁদা দেড়শ টাকা থানায় প্রদান করত আর দেড়শ টাকা তার নিজের ফান্ডে রাখতো চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাস এই সোহাগ এখন কয়েক শত কোটি টাকার মালিক এলাকায় গড়ে তুলেছেন আলিশান ছয়তলা বাড়ি সহ তিনটি বাড়ি এই বাড়ি ওর টাকার উৎস ও তথ্যর জন্য কয়েক জন সাংবাদিক উক্ত ৭ নম্বর সেকশনে গেলে এলাকাবাসী জানায় এই সোহাগ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী এলাকার ক্ষুদ্র দোকানদার থেকে শুরু করে কোন মানুষই ভালো ভাবে ব্যবসা করতে পারত না।
গত ১৩ ই আগস্ট দুপুর একটা ৩০ মিনিটে সাংবাদিকরা অনুসন্ধানে গেলে তার এলাকাবাসীর ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে সত্যতা পায়। এক পর্যায়ে সাংবাদিকরা চলে আসার পরে ১৩ তারিখ বিকাল তিনটায় উক্ত পত্রিকা দৈনিক সময়ের আওয়াজ ও প্রতিদিনের ডাক ডট কম। এর অফিসে উক্ত সন্ত্রাসী সোহাগের শালা, বোন, শাশুড়ি ও সোহাগের স্ত্রী এলাকার কিছু সন্ত্রাসী কিশোর গ্যাং নিয়ে ৩০/৪০ জনের একটি দল পত্রিকা অফিসে হামলা চালায় ভাঙচুর করে দামি দামি কম্পিউটার, ল্যাপটপ সিসিটিভির, ডিভিআর রাউটার, দামি তিনটা ক্যামেরা ডিএসএলআর (৭০০ডি) যার মূল্য তিন লক্ষ ৬০ হাজার টাকা তারা সন্ত্রাসীরা নিয়ে যায়, এবং অফিসের চার জন স্টাফ কে ধরে এনে অফিস থেকে ধরে এনে বেধড়ক পিটুনি দেয়।
যার কারনে পত্রিকা অফিসের দুইজন স্টাফ গুরুতর আহত হয়ে হসপিটালের বেডে, এমনকি উক্ত পত্রিকার সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদক এর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেও প্রচন্ড আঘাত করে। এক পর্যায়ে মিরপুর থানায় লিয়াজু করে সাংবাদিক সোহাগ কে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে যায়, এসআই শহিদুল ম্যানেজ করার চেষ্টা করে উক্তপত্রিকার সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদক এবং স্টাফ রিপোর্টারদের কে। তারা রাজি না হলে উল্টো সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই চাঁদাবাজি মামলা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়। সারারাত থানায় আটকিয়ে রাখে ১৫ আগষ্ট সকাল ১১ টায় উক্ত সাংবাদিক মোঃ সোহাগ কে ছেড়ে দেয়।