রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এইচএসসির ফল আগামী বৃহস্পতিবার বাঁশ ফারুকের খুঁটির জোর কোথায়? ধর্ষণ, সরকারি জমি দখল ও মাদক বানিজ্য নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ!(অনুসন্ধানী পর্ব ১) তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব এসেছে : সাস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি আসিফ মাহমুদের বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের উন্নয়নে জাকির হোসেনের ৩৩ বছরের অবদান সরকার সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারায় আনতে চায়: অর্থমন্ত্রী সরকারের ভুলের দায় বিরোধী দল নেবে কেন: মৌলভীবাজারে ডা. শফিকুর রহমান ‘তাদের টার্গেট মিস হয়ে গেছে’, গুলিকাণ্ডে মুখ খুললেন আসিফ মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচন ১২ নভেম্বর, মনোনয়ন জমার শেষ দিন ২৬ অক্টোবর

প্রিপেইড মিটার বন্ধ ও ডিজিএমকে অপসারণের দাবিতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২১ মে, ২০২৩
  • ২১৯ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে প্রিপেইড মিটার বন্ধের দাবি ও পল্লী বিদ্যুতের তারাব জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (উপ মহাব্যবস্থাপক) ফারজানা ইয়াছমিনকে অপসারণের দাবিতে তারাব জোনাল অফিস ঘেরাও করেছে গ্রাহকরা। এ সময় বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা বিদ্যুতের অফিসের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

আজ রবিবার (২১ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা ৩ ঘণ্টা সাধারণ গ্রাহক বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে রাখে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ সময় জুবায়ের, শরীফ, আমেনা, সালেহাসহ গ্রাহকরা অভিযোগ করে জানান, বিদ্যুতের তারাব জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ফারজানা ইয়াছমিনের সঙ্গে সাধারণ গ্রাহকরা কথা বলতে গেলেই তিনি তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও গালিগালাজ করেন। গত কয়েক মাস ধরে তারাব পৌরসভায় পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম প্রিপেইড মিটার লাগানো হচ্ছে। প্রিপেইড মিটারে গ্রাহকদের টাকা বেশি কেটে নিচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

এছাড়া প্রিপেইড মিটারে টাকা রিচার্জেও পোহাতে বিভিন্ন ভোগান্তি। তাছাড়া আগে ডিজিটাল মিটারের ভাড়া ছিল ১০ টাকা কিন্তু প্রিপেইড মিটারের ভাড়া ৪০ টাকা। হঠাৎ করে মিটারের ভাড়া ৪ গুন হয়ে গেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মাঝে যদি এভাবে বিদ্যুতের বিলও বেশি আসে তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে। প্রিপেইড মিটার দেওয়ার পর থেকে অনেকে সংসারের না করে মিটার টাকা রিচার্জ করতে হচ্ছে।

এ সময় তারা আরও জানান, অনেকেই লেখাপড়া জানে না। এ কারণে মিটারে টাকাও রিচার্জ করতে না পারায় দোকানে গিয়ে টাকা রিচার্জ করতে তাদের। সে ক্ষেত্রে মিটারে রিচার্জের জন্য দোকানদারকে দিতে হয় অতিরিক্ত ২০-৩০ টাকা। যেটি সাধারণ মানুষের জন্য ভোগান্তির আরেক নাম। এসকল ভোগান্তিতে থেকে মুক্তি পেতে তারা এলাকা গুলো থেকে প্রিপেইড মিটার তুলে নেওয়ার দাবি জানান তারা। এছাড়া ডিজিএম ফারহানা ইয়াসমিন গ্রাহকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে এ কারণে তারা তার অপসারণের দাবি জানান কর্তৃপক্ষের কাছে।

এ ব্যাপারে তারাব জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ফারজানা ইয়াছমিন বলেন, আমি সাধারণ গ্রাহকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করি এ ব্যাপারটি মিথ্যা। তবে যারা অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করে তাদের ব্যাপারে কোন ছাড় দেই না। তারাই আমার ব্যাপারে এসব বলছে।

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ব্যাপারে তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা প্রিপেইড মিটার লাগাচ্ছি। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে বিষয়টি সঠিক নয়। তবে আগে ডিজিটাল মিটারের ভাড়া ছিল ১০ টাকা কিন্তু প্রিপেইড মিটারের ভাড়া ৪০ টাকা এটি মন্ত্রণালয় করেছে। এখানে আমাদের কোন হাত নেই। যেহেতু প্রিপেইড মিটার নতুন একটি সিস্টেম প্রথমে ব্যাবহারে সাধারণ মানুষকে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে যা পরবর্তীকালে ঠিক হয়ে যাবে।

নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মাশফিকুল হাসান বলেন, ডিজিএম ফারজানা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে কেউ যদি সুনির্দিষ্টভাবে কোন লিখিত অভিযোগ করে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

প্রিপেইড মিটারের ভাড়া ৪ গুন বৃদ্ধির ব্যাপারে তিনি বলেন, ডিজিটাল মিটারের চেয়ে প্রিপেইড মিটারের দাম বেশি হওয়ার কারণে এ মিটারের ভাড়া বেশি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর