রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিকেন্দ্রীকরণে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরো ৪০ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, অর্ধেকে নেমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন রংপুর অভিমুখে লংমার্চে পাঁচ জেলায় পাঁচ পথসভা করবে ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা সিটি নির্বাচন: এনসিপির প্রার্থী উত্তরে আসিফ মাহমুদ ও দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যূত, ঢাকা-ময়মনসিংহ ট্রেন চলাচল বন্ধ শাহ মাহমুদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আদালতের রায়ের প্রতিবাদে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট

স্নাতকের শেষ দিনে দুঃস্থদের খাবার বিতরণে জবি শিক্ষার্থীরা

জবি প্রতিনিধি :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫৯ টাইম ভিউ

দুঃস্থ- অসহায়দের খাবার বিতরণ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে স্নাতকের (সম্মান) শেষ ক্লাসের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করেন তারা। শিক্ষার্থীরা ভিক্টোরিয়া পার্ক, সদরঘাট এলাকার ১৫০ জন অসহায়, দুঃস্থ ও রিক্সা চালক ও শিশুদের মাঝে এই খাবার বিতরণ করেন।

আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা স্নাতক জীবনের শেষ ক্লাসের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে চাই। পুরো অনার্স লাইফটি যেভাবে সুন্দরভাবে শেষ করেছি। একইভাবে শেষ দিনটিও সুন্দরভাবে শেষ করতে চাই। তাই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। এটি সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে ক্ষুদ্র আয়োজন। অন্যরাও আমাদের অনুসরণ করবে বলে আমরা প্রত্যাশা রাখি।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাকেরুল ইসলাম বলেন, আমরা নতুন কিছুর সূচনা করতে চাই। আমাদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি শুধু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে দিতে চাই।

অপর শিক্ষার্থী অর্পা আসাদ বলেন, সবাই কালার ফেস্ট সহ বিভিন্ন আয়োজন করে স্নাতকের শেষ দিন উদযাপন করে। আমরা নতুন কিছুর সূচনা করতে চাই। আমরা চাই, আমাদের এই উদ্যোগ দেখে যাতে অন্যরা উৎসাহিত হোক।

অপর শিক্ষার্থী ইব্রাহিম খলিল বলেন, কালার ফেস্ট, র‌্যাগ ডে আমাদের সংস্কৃতি নয়। আমরা চাই, সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ হোক। তাই, এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা আশা রাখি, আমাদের থেকে উৎসাহিত হয়ে অন্যরা আরও বড় পরিসরে এই ধরণের আযোজন করবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর