বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে একদিনে সাত জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৯৩ ডাকযোগে ভোটের ব্যালট নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা আটকে দিল সুপ্রিম কোর্ট পুরোনো সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা হচ্ছে, দলীয়করণে ন্যায়বিচার সম্ভব নয় :গোলাম পরওয়ার জায়গামতো গিফট পাঠিয়ে দিলে হাজার হাজার অভিযোগও অনুসন্ধান হতো না জাতিসংঘে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী একটি নয়, তারেক রহমানকে দুই সফরের আমন্ত্রণের দাবি নয়াদিল্লির কেরানীগঞ্জে যুবককে কুপিয়ে-গুলি করে হত্যা মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে সহায়ক ১০ খাবার, স্মৃতি ও মনোযোগের জন্য যা রাখতে পারেন খাদ্যতালিকায় বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ ছাড়ছেন সালমান এফ রহমান পল্লবীতে সাংবাদিকের বাসায় হামলা, গুলিবর্ষণের অভিযোগ

সাধারণরা না পেলেও ঈদে কর্মকর্তারা পাবেন নতুন নোট, কে কত

অর্থনীতি ডেক্স
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৪ টাইম ভিউ
সাধারণরা না পেলেও ঈদে কর্মকর্তারা পাবেন নতুন নোট, কে কত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এবার সাধারণ মানুষের জন্য নতুন টাকার নোট বাজারে ছাড়ছে না বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সাধারণ মানুষের জন্য নতুন নোট না ছাড়লেও নিজেদের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের জন্য নতুন নোটের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ নিয়ে সম্প্রতি একটি অভ্যন্তরীণ অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। সেই আদেশের ভিত্তিতে রোববার থেকে কর্মকর্তা–কর্মচারীরা নতুন নোট সংগ্রহ করতে শুরু করেছেন।

কে কত নতুন নোট পাবেন

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ মার্চ জারি করা অফিস আদেশ অনুযায়ী কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা অনুসারে নতুন নোট নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • নির্বাহী পরিচালক, পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালক ও যুগ্ম পরিচালকরা সর্বোচ্চ ১ লাখ ৮৩ হাজার টাকার নতুন নোট নিতে পারবেন।
  • পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ৬৮ হাজার টাকার নতুন নোট নিতে পারবেন।

৮ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত চাহিদা অনুযায়ী কর্মকর্তা–কর্মচারীরা নতুন নোট সংগ্রহ করতে পারবেন বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভেতরেই সমালোচনা উঠেছে। কয়েকজন কর্মকর্তা বলছেন, সাধারণ মানুষের জন্য নতুন নোট বন্ধ রাখলেও নিজেদের জন্য তা বরাদ্দ দেওয়া প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

প্রতিবছর ঈদের সময় নতুন টাকার নোটের চাহিদা বেড়ে যায়। বিশেষ করে ঈদ সালামি হিসেবে নতুন নোট দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে, গুলিস্তানসহ বিভিন্ন এলাকায় ঈদের আগে নতুন নোট ও ছেঁড়া টাকা কেনাবেচার অস্থায়ী দোকান বসে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফুটপাতকেন্দ্রিক এ ব্যবসা ঈদের সময় জমজমাট হয়ে ওঠে।

এদিকে অনেকের আশঙ্কা, কর্মকর্তাদের বরাদ্দ দেওয়া এই নতুন নোটের একটি অংশ অনিয়মের মাধ্যমে ফুটপাতের নতুন নোট ও ছেঁড়া টাকার ব্যবসায়ীদের কাছে চলে যেতে পারে। এতে অবৈধ লেনদেনের সুযোগ তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর