মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংবাদিকতার জন্য এবার তিনজনকে ‘বজলুর রহমান স্মৃতিপদক’ দেওয়া হয়েছে। প্রিন্ট ও অনলাইন বিভাগে ডেইলি স্টারের প্রতিবেদক আহমাদ ইশতিয়াক এই পুরস্কার পান। ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিভাগে যমুনা টেলিভিশনের আহমেদ রেজা এবং একাত্তর টেলিভিশনের পার্থ সনজয় পুরস্কার পেয়েছেন। বিজয়ীদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকার চেক, ক্রেস্ট ও সনদ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে এককালীন এক কোটি টাকার অনুদান দেয় ‘মীর আশরাফুল হক রিসার্চ ফান্ড’। ১৯৭১ সালের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে এই তহবিল দেওয়া হয়েছে। সাসক্যাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মবিনুল হক মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারওয়ার আলীর হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন। জাদুঘরের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব জেনোসাইড অ্যান্ড জাস্টিস’ এই তহবিল পরিচালনা করবে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধের নানা প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার নিন্দা জানান রফিকুন নবী। তিনি বলেন, ভাঙা ভাস্কর্য পুনরায় তৈরি করা সম্ভব হলেও এর পেছনের উদ্দেশ্য ভাবিয়ে তোলার মতো। তবে তরুণ প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নানা কাজ তাকে নতুন করে সাহস জোগায়। তিনি বিশ্বাস করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কখনো মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জুরিবোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম রহমান। তিনি তরুণদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার ওপর জোর দেন। এ ছাড়া ট্রাস্টি মফিদুল হক ও সারওয়ার আলী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্যের বিস্তার থাকলেও মানুষ এখনো নির্ভরযোগ্য সংবাদের জন্য সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা রাখে।