বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করে যুবদলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথের ত্যাগী এই তৃণমূল নেতাকে ঘিরে দারুস সালাম থানা যুবদলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই সুবিধাবাদী রাজনীতি এড়িয়ে সংকটে দলের পাশে দাঁড়িয়েছেন জিয়া। বিগত আওয়ামী সরকারের শাসনামলে চরম দমন-পীড়ন, রাজপথের নির্যাতন ও একাধিক রাজনৈতিক মামলা-হামলার শিকার হন তিনি।
রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে প্রবল প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দারুস সালাম থানা যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালে তাঁকেই দারুস সালাম থানা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় রাজপথের প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে তিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
রাজনৈতিক কারাবরণ ও রাজপথের ত্যাগ
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ২০২৩ সালের ১৮ নভেম্বর গ্রেপ্তার হন জিয়াউর রহমান জিয়া। তাঁর গ্রেপ্তারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও মুক্তির দাবি জানিয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটি পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়। দীর্ঘ কারাবাস ও নির্যাতন সহ্য করেও তিনি রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব

জমি দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বা যেকোনো অসংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত থেকে রাজনীতিতে এক পরিচ্ছন্ন ও নীতিবান ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া। স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে তাঁর স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে।
নিজের রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তিগত পাওয়ার জন্য রাজনীতি করি না। শহীদ জিয়া, বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশিত পথেই আমার পথচলা। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দলকে ভালোবেসে সম্পৃক্ত হয়েছি। রাজপথের কর্মী হিসেবে আমৃত্যু জাতীয়তাবাদী শক্তির পতাকাতলে কাজ করে যেতে চাই।”
নতুন কমিটিতে মূল্যায়নের দাবি
বর্তমানে যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তর ও কেন্দ্রীয় পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতাদের প্রাধান্য দেওয়ার আলোচনা চলছে। এলাকার নেতাকর্মী ও দলীয় সুধীমহলের মতে, আন্দোলন-সংগ্রামে মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়ার ত্যাগ ও ক্লিন ইমেজ বিবেচনা করে নতুন কমিটিতে তাঁকে শীর্ষ পদে মূল্যায়ন করা হলে সংগঠনটি আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও গতিশীল হবে।