ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এর প্রতিবাদে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র। একই সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ড মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে যুদ্ধঘোষণা বলে মন্তব্য
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়। ইরান পাল্টা আঘাত শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উল্লেখযোগ্য
ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইল হামলার কড়া সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ হামলাকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ এবং একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হওয়ার পর শূন্য পদ দ্রুত পূরণ করেছে দেশটি। রেভল্যুশনারি গার্ডস প্রধান হিসেবে আহমদ বাহিদিকে নিয়োগ দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। রোববার
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সামনে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন
কুয়েতের কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছে একটি ড্রোন। দেশটির বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড্রোন হামলায় কিছু কর্মী সামান্য আহত হয়েছেন এবং সীমিত অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারি বিবৃতিতে সংস্থাটির মুখপাত্র
ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের আকস্মিক ও সরাসরি বিমান হামলার পর বিশ্বজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও গভীর উদ্বেগ। মধ্যরাতে চালানো এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামলার
দক্ষিণ ইরানের হরমোজগান প্রদেশের মিনাবে একটি প্রাথমিক গার্লস স্কুলে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৮৫ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, আহত হয়েছেন আরও ৬৩ জন, এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানিয়ে সব পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই হামলা শুধুমাত্র মৃত্যু, ধ্বংস এবং মানবিক কষ্ট বাড়াবে।জাতিসংঘের
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি একে ‘বিনা উসকানিতে হামলা’ বলে উল্লেখ করে করে অবিলম্বে