মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করতে ইউএনডিপির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ চান এলজিআরডি মন্ত্রী আসিফ নজরুলের নির্দেশেই ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড, এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর আওয়ামী লীগ আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে : আইনমন্ত্রী সাত বছর পর মুক্ত আকাশ দেখল কারাগারে জন্ম নেওয়া শিশু কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ২৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি তরুণদের জন্য নতুন সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক গণতন্ত্রকে রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ: রাষ্ট্রপতি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতিমধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়েছে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছয় মাস পর উৎপাদনে ফিরল চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা

গণতন্ত্রকে রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ: রাষ্ট্রপতি

সময়ের আওয়াজ ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ টাইম ভিউ
ছবি সংগ্রহীত

গণততন্ত্রকে রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ এমন মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, অনেক ত্যাগ ও প্রাণের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে হটিয়ে গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। এখন গণততন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সুযোগ এসেছে। গণততন্ত্রকে রক্ষা করাই এখন প্রধান কাজ।

মঙ্গলবার বিকেলে নগরভবনে সিলেট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে দেওয়া নাগরিক সংবর্ধনার জবাবে তিনি এমনটি বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্র রক্ষায় সরকার ও বিরোধী দলকে একসাথে কাজ করতে হবে। সংসদকে কার্যকর করতে হবে। নানা বিষয়ে মতপ্রার্থক্য থাকবে তবে, মৌলিক বিষয়গুলোতে ঐক্যমতে পৌঁছতে হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, আগামীর লড়াই দেশকে পুণর্গঠন ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার। আগামী প্রজন্মকে একটি সমৃদ্ধেদেশ উপহার দেওয়ার।

সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠেনে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, এই দেশ অনেকবার হোঁচট খেয়েছে। আজ আবার দেশ গঠনের সুযোগ এসেছে। আমরা যেনো এই সুযোগ না হারাই। আমাদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। সিলেটে নানা জাতি গোষ্ঠির মানুষের বসবাসের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আর কোথাও নেই। সিলেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিলেট আমার কাছে অত্যন্ত প্রিয় একটি জায়গা। আমি যখনই সুযোগ পাই তখনই সিলেটে আসি। সিলেটে যতবার এসেছি আপনাদের উষ্ণ আতীতেয়তা পেয়েছি। আমাদের চরম দুঃসময়েও আপনারা আমাদের পাশে ছিলেন।

 

তিনি বলেন, সিলেটের মানুষের সাথে অতীতে ছিলাম। আগামীতেও থাকবো। ইনশাআল্লাহ, সিলেটের মানুষ আগামীতে দেশের নেতৃত্ব দেবে। বক্তব্যের শুরুতে রাষ্ট্রপতি বলেন, আগে রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে যেভাবে আপনাদের সাথে কথা বলতাম এখন সেভাবে পাড়ি না। কারণ আমি শপথ নিয়েছি, আমি সম্পূর্ণ দল নিরপেক্ষভাবে কাজ করব, কথা বলব।

 

তিনি বলেন, সিলেট নিজেই অত্যন্ত গর্বিত একটি জায়গা। এখানে হযরত শাহজালাল (র.). হযরত শাহপরান (র.) শুয়ে আছেন, শ্রীচৈতন্য দেবের স্মৃতি সিলেটে রয়েছে। এখানে হাছন রাজা, রাধারমন দত্ত, শীতালাং শাহ, শাহ আব্দুল করিম, হেমাঙ্গ বিশ্বাসরা জন্ম নিয়েছেন। এমএজি ওসমানী, সাইফুর রহমান, এমএ খান, ইলিয়াস আলীর মতো নেতারা এখানে জন্ম নিয়েছেন। সিলেটের আলাদা সংস্কৃতি রয়েছে। সিলেটের চা বাগানের সারা বিশ্বে খ্যাতি রয়েছে। সিলেটের প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছেন। সিলেটের মানুষ একইসঙ্গে শান্তিপ্রিয় ও প্রতিবাদী। তিনি প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখানে বিনিয়োগের অনেক সম্ভাবানা রয়েছে। শিল্প গড়ে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, হুইপ জিকে উজছ প্রমুখ। তবে যথাযথ মূল্যায়ন না করার অভিযোগ এনে রাষ্ট্রপতির এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বয়কট করে সিলেট মহানগর বিএনপি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর