মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৫ কর্মকর্তার রদবদল শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান গার্মেন্টস মালিকদের বরগুনায় যৌন নিপীড়ন থেকে বাচতে চলন্ত অটো থেকে লাফ দিল দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বছরে ১৫৪ কোটি ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন শ্রমিকদের আন্দোলনে ফ্যাসিস্টরা ঢুকলে দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বদ্ধের প্রতিশ্রুতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট শুরু ‘নিরাপত্তার’ কারণ দেখিয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে জাতীয় চার নেতা স্মরণে প্রদর্শনী স্থগিত আপনার প্রতিবাদ শতভাগ কাজে লেগেছে: আখতারুজ্জামানকে জামায়াত আমির

এবার রাতে চন্দনা কমিউটার ট্রেন আটকে দিল ফরিদপুরবাসী

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০২৪
  • ৯৯ টাইম ভিউ

রেলমন্ত্রীর আশ্বাসের এক মাস পেরিয়ে গেলেও ফরিদপুরে স্টপেজ (যাত্রাবিরতি) না হওয়ায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রাজবাড়ীগামী ‘চন্দনা কমিউটার ট্রেন’ রাতে আটকে দিয়েছে ফরিদপুরের সর্বস্তরের জনগণ।

বুধবার (৫ জুন) রাত ৯টা থেকে ৯টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ফরিদপুর রেলস্টেশনে চন্দনা কমিউটার ট্রেনটি থামিয়ে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী।

এসময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, আমরা এর আগে ফরিদপুরে চন্দনা কমিউটার ট্রেনের স্টপেজের দাবিতে কয়েক দফা আন্দোলন করি। এর প্রেক্ষিতে রেলমন্ত্রী জুন মাসের শুরুতে চন্দনা কমিউটার ট্রেন ফরিদপুরে যাত্রাবিরতির প্রতিশ্রুতি দেন।

তবে মন্ত্রী সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেননি। এ সময় মন্ত্রীর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভকারীরা।
খবর পেয়ে কোতয়ালী থানার ওসি মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্ব পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সমাধান করার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা ট্রেনটি ছেড়ে দেন।

এর আগে একই দাবিতে গত ৫ মে ট্রেন চালুর দিন মানববন্ধন ও ১১ মে স্টপেজের দাবিতে কাফনের কাপড় শরীরে জড়িয়ে রেললাইনে শুয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে ফরিদপুরবাসী।

এ প্রেক্ষিতে রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম ফরিদপুরের ভাঙ্গার একটি অনুষ্ঠানে জুন মাসের শুরুতে ফরিদপুরে স্টপেজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আবরার নাদিম বলেন, বর্তমান সরকারের সাফল্যের আরেকটি নতুন অধ্যায় রাজবাড়ী থেকে ভাঙ্গা হয়ে ঢাকার সঙ্গে নতুন দুটি কমিউটার ট্রেন চালু। তবে অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, ফরিদপুরের ওপর দিয়ে গেলেও ফরিদপুর রেলস্টেশনে কোনো স্টপেজ রাখা হয়নি। এতে ফরিদপুরের যাত্রীরা সুলভে ঢাকার সঙ্গে যাতায়াতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা কয়েক দফা আন্দোলনের পর রেলমন্ত্রী জুন মাসের শুরুতে ফরিদপুর স্টপেজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি। আমরা রেলমন্ত্রীর কাছে অনতিবিলম্বে ফরিদপুর রেলস্টেশনে এই চন্দনা কমিউটার ট্রেনের স্টপেজের দাবি জানাই। শিগগিরই স্টপেজ দেওয়ার ব্যবস্থা করা না হলে ফের লাগাতার কর্মসূচি শুরু করা হবে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, এই রেলপথ দিয়ে বেনাপোল এক্সপ্রেস, সুন্দরবন, রাজশাহী ও নকশিকাঁথা এক্সপ্রেস চলাচল করে। চারটি ট্রেনেরই ফরিদপুরে যাত্রাবিরতি রয়েছে।

কিন্তু চন্দনা কমিউটার ট্রেনের যাত্রাবিরতি ফরিদপুর রেলস্টেশনে না থাকায় এই বিক্ষোভ করে আসছে ফরিদপুরের সর্বস্তরের জনগণ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর