মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে সহায়ক ১০ খাবার, স্মৃতি ও মনোযোগের জন্য যা রাখতে পারেন খাদ্যতালিকায় বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ ছাড়ছেন সালমান এফ রহমান পল্লবীতে সাংবাদিকের বাসায় হামলা, গুলিবর্ষণের অভিযোগ ২৫ দিনে ‘ঘুষ.সাইট’–এ প্রায় ১৯ হাজার অভিযোগ, ঘুষ চাওয়ার অঙ্ক কত তিন সিনেমা নিয়ে ফিরছেন ববি, নতুন চরিত্রে দর্শকের সামনে আসার অপেক্ষা গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করতে ইউএনডিপির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ চান এলজিআরডি মন্ত্রী আসিফ নজরুলের নির্দেশেই ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড, এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর আওয়ামী লীগ আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে : আইনমন্ত্রী

গ্যাস সংকটে বন্ধ পাঁচ ইউরিয়া সার কারখানা

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২৪ টাইম ভিউ
গ্যাস সংকটে বন্ধ পাঁচ ইউরিয়া সার কারখানা

দেশে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে একের পর এক ইউরিয়া সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনার পর গত বুধবার বিকেল থেকে দেশের বৃহত্তম পরিবেশবান্ধব ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে দেশে মোট পাঁচটি সার কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ৮৪০ মেট্রিক টন উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন এই কারখানাটি গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম। উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

বর্তমানে যেসব সার কারখানা বন্ধ রয়েছে সেগুলো হলো—ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি, চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি, আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি এবং বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি।

এর মধ্যে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানিতে কয়েক মাস ধরেই উৎপাদন বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র বলছে, ঘোড়াশাল-পলাশ কারখানাটি এতদিন শতভাগ উৎপাদনে ছিল। তবে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সার উৎপাদন পুরোপুরি গ্যাসনির্ভর একটি প্রক্রিয়া। কারখানাটিতে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তবে ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পেলেও উৎপাদন চালু রাখা সম্ভব। প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে কারখানাটি পুনরায় উৎপাদনে নেওয়া যাবে।

বর্তমানে কারখানার গুদামে প্রায় পাঁচ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। তবে কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না কারখানার কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, গ্যাস রেশনিংয়ের অংশ হিসেবে দেশের পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।

বিসিআইসি সূত্র জানায়, দেশের পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা পূর্ণ ক্ষমতায় চালু রাখতে প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। কিন্তু সরবরাহ সংকটের কারণে গত বুধবার থেকে এসব কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এর আগ থেকেই কারখানাগুলো গ্যাসের ঘাটতিতে ভুগছিল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর