শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতের প্রধান ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় সাইবার হামলা নতুন বিক্ষোভের আশঙ্কা, ফ্রান্সজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ঘিরে চারটির বেশি সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের ককটেল বিস্ফোরণ ক্রীড়াঙ্গনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকিতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট: লেনদেনে সমস্যা নেই সৌদির কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পশ্চিম তীর অবরুদ্ধ করার নির্দেশ নেতানিয়াহুর আবার‍ও কক্সবাজারে হোটেলে আগুন ভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা আব্বাস

ভারী বৃষ্টিতে বিপদসীমার উপরে তিস্তার পানি, আতঙ্কে নিম্ন অঞ্চলের মানুষ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৩
  • ২২৭ টাইম ভিউ

মমিন আজাদ,নীলফামারী : উজানের পাহাড়ী ঢল আর ভারী বৃষ্টিপাতে তিস্তার পানি আবারও বিপদসীমা ছারিয়েছে। আজ সোমবার সকাল ৬টায় নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৫২.৩৫ সেন্টিমিটার যা বিপদসীমার ২০সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পরে সকাল ৯টায় পানি কমে বিপদসীমার ১৪সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে রোববার বিপদসীমার ৭সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বাড়াতে নীলফামারীর ঝুনাগাছ চাপানি,পূর্বছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি,খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চলগুলো বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। পানি কমা বাড়াতে চরম আতঙ্কে তিস্তা পারের মানুষ।

ডালিয়া পয়েন্টের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, গেল কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি বাড়া কমার মধ্য দিয়ে আছে। আজ সকাল ৬টায় তিস্তার পানি ২০সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টায় কমে ১৪সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি আরও বৃদ্ধি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায় ডিমলা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চলের বাড়ি ঘরে পানি উঠেছে। এতে চরম আতঙ্কে আছে নিম্ন অঞ্চলের পানি বন্দি মানুষ।

বাইশ পুকুর এলাকার কৃষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে এবারে আমাদের ৫বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। নদীতে ভেঙ্গে গেছে অসংখ্য ফসলি জমি। বাড়িতেও পানি উঠেছে। রাতে বিছানায় পানি উঠেছে ঘুমাতে পারি নাই।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া এলাকার শফিকুল ইসলাম বলেন, রাত থেকে ঘুমাতে পারি নাই। বাড়ি ঘরে পানি ডুকেছে। রান্না বান্নার কোন ব্যবস্থা নাই। বাড়িতে চিড়া-মুড়ি যা আছে তাই দিয়ে কোন রকমে দিন পার করছি।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান বলেন, রাত থেকে বন্যা দেখা দিয়েছে তিস্তা তীরবর্তী এলাকার নিম্ন অঞ্চলগুলোতে। আমরা রাতেই অনেককে নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছি এবং যারা এখনও পানিবন্দি হয়ে আছে তাদেরকেও অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, গতকাল রাতে ডিমলা উপজেলার তিস্তার র্তরবর্তী নিম্ন অঞ্চলগুলো বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দি সকলকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশবাহিনীরা।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। আমাদের পানি উন্নয়নের বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সজাগ আছে। কোথাও কোন সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর