ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে পটুয়াখালীর দুইটি উপজেলায় চলছে ভোট গ্রহণ। ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও শান্ত পরিবেশের মধ্য দিয়েই চলছে ভোট গ্রহণ। এদিকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঢাকা থেকে কলাপাড়ার ধুলাসার ইউনিয়নে নাড়ির টানে ছুটে এসে নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মুহিববুর রহমান মুহিব । ৫৭ নং ধুলাসার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “ভোট দেয়া মানুষের অধিকার। আমি ঘূর্নিঝড় রিয়ালের কারনে ঢাকাতে ব্যাস্ত ছিলাম তাই আমি দুই এক দিন আগে আসতে পারি নাই।
ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের তালিকা তৈরি করে এই দুর্যোগে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের পাশে দাঁড়ানোর কাজে ব্যস্ত ছিলাম। এছাড়াও আজকে আমার পার্লামেন্ট অধিবেশন, বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। আমি মনে করি আমি যেহেতু এই এলাকার নাগরিক। আমার একটা ভোট আমার এসে দেয়া উচিত তাতে যত কষ্টই হোক। চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম রয়েছে এ বিষয়টি কিভাবে দেখছেন মন্ত্রী এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এখন বর্তমানে খুব গরম পরেছে। আর মানুষ এখন লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে খুব কম আসে। যে যার সময় মতো এসে ভোট দিয়ে যায়।
তাই এখন ভোটারদের উপস্থিতি বোঝা যায় না। মানুষ ভোটে আগ্রহী। বুধবার(৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী এই দুটি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। একটানা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। উপজেলা দুটোর ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯২ হাজার ৩শ’ ৩৮ জন। দুই উপজেলার ১১১ টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহন। সুষ্ঠভাবে ভোট গ্রহনের লক্ষ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ সদস্য ও ১৩ জন আনসার সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। মাঠে ২৮ জন ম্যাজিষ্ট্রেট, ৪ টি র্যাবের টিম, ৭ টি বিজিবির টিম ও ৮ টিম কোষ্টগার্ডর টিম মোতায়ানে করা হয়েছে।
এছাড়া পুলিশের মোবাইল টিম, স্টাইকিং ফোর্স ও স্টান্ডবাই টিম মাঠে কাজ করবে। ভোটে কলাপাড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।