মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তিন সিনেমা নিয়ে ফিরছেন ববি, নতুন চরিত্রে দর্শকের সামনে আসার অপেক্ষা গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করতে ইউএনডিপির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ চান এলজিআরডি মন্ত্রী আসিফ নজরুলের নির্দেশেই ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড, এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর আওয়ামী লীগ আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে : আইনমন্ত্রী সাত বছর পর মুক্ত আকাশ দেখল কারাগারে জন্ম নেওয়া শিশু কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ২৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি তরুণদের জন্য নতুন সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক গণতন্ত্রকে রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ: রাষ্ট্রপতি

শিশু রামিসাকে হত্যা : মামলার ১৯ দিনের মাথায় রায় হচ্ছে ৭ জুন

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ৮৫ টাইম ভিউ
শিশু রামিসাকে হত্যা : মামলার ১৯ দিনের মাথায় রায় হচ্ছে ৭ জুন

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী রোববার (৭ জুন) দিন ধার্য করেছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের এ দিন নির্ধারণ করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১ জুন) মামলার দুই আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করার আদেশ দেওয়া হয়। পরদিন চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়। বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এর আগে গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। একই দিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, নিহত রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না কৌশলে তাকে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে খুঁজতে শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তিনি।

পরে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে আসামিদের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির ভেতরে তার বিচ্ছিন্ন মাথা দেখতে পান তারা। ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসামি স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে অপর আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ২০ মে নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। আলোচিত এ মামলার রায়কে ঘিরে ভুক্তভোগী পরিবারসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর