মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিউমার্কেটসহ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-ফুটপাত হকারমুক্ত হবে : সেতুমন্ত্রী মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স সরকারের : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঘিরে সমালোচনা, ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম ডিআরইউয়ের মিষ্টির শূন্য আসনে এলিজা জামানকে মনোনয়ন দিল বিএনপি কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১ শয়তানকে তুচ্ছজ্ঞান করুন: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা দুই বছরের মধ্যে জেলায় জেলায় বসবে রেডিওথেরাপি মেশিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন নিয়ে এলো বড় সুখবর আঞ্চলিক নিরাপত্তার আলোচনায় সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান

স্বামীর জন্য মৃত স্ত্রীর চেহারা দেখার বিষয়ে ইসলাম কী বলে?

মোঃ আসিফ
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১ জুন, ২০২৪
  • ১০৭ টাইম ভিউ

বিয়ে মানুষের জীবনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিয়ের মাধ্যমে দুজন অচেনা-অজানা মানুষ ভালোবাসার বাহুডোরে আবদ্ধ হন। শুরু হয় নতুন জীবনের পথচলা।

মৃত স্ত্রীর চেহারা যেমন স্বামী দেখতে পারবে, তেমনি স্ত্রীও তার মৃত স্বামীর চেহারা দেখতে পারবে। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক: ৭৭)

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পরিপূরক। তাদের উভয়ের হৃদ্যতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কে পরিবার একখণ্ড বেহেশতে পরিণত হয়। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে স্থাপিত ভালোবাসার সম্পর্ক তুলনাহীন। আমি অন্য কোনো ক্ষেত্রে এমন গভীর সম্পর্ক দেখি না।’ (ইবনে মাজাহ)

এ আয়াতের ব্যাখ্যায় মুফতি তাকি উসমানি বলেন, ‘বিয়ের আগে স্বামী-স্ত্রী সাধারণত আলাদা-আলাদা পরিবেশে লালিত-পালিত হয়। পরস্পরের মধ্যে কোনো সম্বন্ধ থাকে না। কিন্তু বিয়ের পর তাদের মধ্যে এমন গভীর বন্ধন ও ভালোবাসা গড়ে ওঠে যে, তারা অতীত জীবনকে ভুলে গিয়ে সম্পূর্ণরূপে একে অন্যের হয়ে যায়। হঠাৎ করেই তাদের মধ্যে এমন এক প্রেম-প্রীতি সৃষ্টি হয়ে যায় যে, এখন আর একে অন্যকে ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে পারে না।
আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে, স্বামীর জন্য তার মৃত স্ত্রীর চেহারা দেখা জায়েজ নেই। তেমনি কেউ কেউ মনে করে, স্ত্রীর জন্যও তার মৃত স্বামীর চেহারা দেখা জায়েজ নেই। তাদের এ ধারণা ভুল। মৃত স্ত্রীর চেহারা যেমন স্বামী দেখতে পারবে, তেমনি স্ত্রীও তার মৃত স্বামীর চেহারা দেখতে পারবেন। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক: ৭৭; আদ্দুররুল মুখতার ২/১৯৮) 
 
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাকিউল গারকাদ থেকে যখন ফিরে আসলেন, তখন তিনি আমাকে মাথার যন্ত্রণা অবস্থায় পেলেন। আমি বলছিলাম, হ্যায় আমার মাথা ব্যথা! তখন নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছিলেন, আয়েশা! বরং আমার মাথায় ব্যথা হয়েছে। অতঃপর তিনি বলেন, তোমার কোনো সমস্যা নেই। তুমি যদি আমার পূর্বে মারা যাও তবে আমি তোমার পাশে থাকব, তোমাকে গোসল দিব, তোমাকে কাফন পরাব এবং তোমার জানাজার নামাজ আদায় করব। (ইবনে মাজাহা: ১৪৬৫)

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর