মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিউমার্কেটসহ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-ফুটপাত হকারমুক্ত হবে : সেতুমন্ত্রী মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স সরকারের : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঘিরে সমালোচনা, ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম ডিআরইউয়ের মিষ্টির শূন্য আসনে এলিজা জামানকে মনোনয়ন দিল বিএনপি কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১ শয়তানকে তুচ্ছজ্ঞান করুন: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা দুই বছরের মধ্যে জেলায় জেলায় বসবে রেডিওথেরাপি মেশিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন নিয়ে এলো বড় সুখবর আঞ্চলিক নিরাপত্তার আলোচনায় সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান

হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট ৬৮৯

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ৭০ টাইম ভিউ
হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট ৬৮৯

 দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি প্রাদুর্ভাবে মৃতের মোট সংখ্যা বেড়ে ৬৮৯ জনে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে নতুন এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটেছে। মারা যাওয়া তিন শিশুই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া বর্তমান সংক্রমণ পরিস্থিতিতে হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৯৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হাম রোগে আরও ৯৩ শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮৯।

একই সময়ে নতুন করে ৯৯৬ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে মার্চের মাঝামাঝি থেকে এ পর্যন্ত উপসর্গযুক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৯৫ হাজার ৭৬০ জনে পৌঁছেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার মাধ্যমে ৯৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। চলমান প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩৯০ জনে।

রোগীর চাপ এখনও হাসপাতালগুলোতে বিদ্যমান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৯ হাজার ৬৩৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ৭৫ হাজার ৮৮২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো টিকাদান, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা না গেলে জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভোগা শিশু এবং যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের শিশুদের টিকাদান সম্পন্ন করার পাশাপাশি জ্বর, শরীরে লালচে দানা, কাশি বা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে। স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচির পরিধি বাড়ানো, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি জোরদার করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। অন্যথায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর