রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঁশ ফারুকের খুঁটির জোর কোথায়? ধর্ষণ, সরকারি জমি দখল ও মাদক বানিজ্য নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ!(অনুসন্ধানী পর্ব ১) তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব এসেছে : সাস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি আসিফ মাহমুদের বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের উন্নয়নে জাকির হোসেনের ৩৩ বছরের অবদান সরকার সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারায় আনতে চায়: অর্থমন্ত্রী সরকারের ভুলের দায় বিরোধী দল নেবে কেন: মৌলভীবাজারে ডা. শফিকুর রহমান ‘তাদের টার্গেট মিস হয়ে গেছে’, গুলিকাণ্ডে মুখ খুললেন আসিফ মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচন ১২ নভেম্বর, মনোনয়ন জমার শেষ দিন ২৬ অক্টোবর হাম উপসর্গে আরও ৮ মৃত্যু, নতুন রোগী ১০৬৫

গুগলের ডাটাবেস হ্যাক, ঝুঁকিতে ২৫০ কোটি জিমেইল ব্যবহারকারী

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২১ টাইম ভিউ

ডিজিটাল নিরাপত্তার জগতে সতর্কতার বিষয়ে বার বার প্রশ্ন উঠছে। সাম্প্রতিক গুগলের ডাটাবেস হ্যাক হওয়ায় জিমেইল এবং গুগল ক্লাউড ব্যবহারকারীরা বিপদের মুখে পড়েছেন। হ্যাকারদের একটি গ্রুপ, শিনি হান্টারস, গুগলের সেলসফোর্স ডাটাবেসে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করেছে। যদিও পাসওয়ার্ড লিক হয়নি, তবুও ব্যবহারকারীর নাম, কোম্পানি এবং অন্যান্য তথ্য ফাঁস হওয়ায় ফিশিং এবং স্ক্যাম হামলার ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, হ্যাকাররা জিমেইল ব্যবহারকারীদের ফোনে যোগাযোগ করছে। তারা নিজেকে গুগলের কর্মী পরিচয় দিয়ে জানাচ্ছে যে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে নিরাপত্তা সমস্যা হয়েছে। এরপর তারা ‘অ্যাকাউন্ট রিসেট’ বা ভুয়া লিঙ্কের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড পেতে চেষ্টা করছে। কিছু হামলায় গুগল ক্লাউডের ডেটা চুরি বা ম্যালওয়্যার ইনজেকশন করার সুযোগও তৈরি হচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৫০ কোটি ব্যবহারকারী এই মুহূর্তে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। যদিও হ্যাকারদের মূল লক্ষ্য বড় কোম্পানি, সাধারণ ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক ব্যবহারকারীরাও সহজেই টার্গেট হতে পারেন। এই ধরনের হামলার শিকার হলে ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা বিপন্ন হতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক তথ্যও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।

নিরাপদ থাকার জন্য গুগল কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে। ব্যবহারকারীরা তাদের অ্যাকাউন্টের দুর্বলতা চিহ্নিত করতে সিকিউরিটি চেকআপ ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া, অ্যাডভান্সড প্রটেকশন প্রোগ্রাম চালু করা হলে অজানা বা অননুমোদিত অ্যাপ্লিকেশন থেকে গুগল ডেটা রক্ষা করা সম্ভব। পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে পাসকি ব্যবহার করাও এক কার্যকর পদক্ষেপ, যা হ্যাক ও ফিশিং হামলার ঝুঁকি কমায়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ফোন বা ই-মেইল করে যে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড চাইলে তাদের কথায় কখনও বিশ্বাস না করা। গুগল কখনও ফোন বা ই-মেইলের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড রিসেট বা কোনো পরিবর্তন চাইবে না। সতর্ক থাকা, সন্দেহ করা এবং নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন ডিজিটাল জীবনের একটি অপরিহার্য চাহিদা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, নিরাপত্তা সচেতনতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকলেই হ্যাক, ফিশিং এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রতারণার থেকে নিজেদের রক্ষা করা সম্ভব। ব্যবহারকারীরা যদি নিয়মিত নিরাপত্তা পরীক্ষা করেন এবং সতর্ক থাকেন, তবে বিপদের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। সূত্র: পিসিওয়ার্ল্ড

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর